kalerkantho

বুধবার । ১২ মাঘ ১৪২৮। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা দিলো কোয়ান্টাম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ ডিসেম্বর, ২০২১ ২১:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা দিলো কোয়ান্টাম

শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিক উল্লাহ খান বলেছেন, স্বেচ্ছা রক্তদাতারা তাদের রক্তপ্রবাহকে মূলত, চেতনার প্রবাহে পরিণত করছে। আর স্বেচ্ছায় রক্ত দানের মাধ্যমে তারা শুধু একজন মানুষের বা জাতির কল্যাণ করছে না, তারা বিশ্ববাসীর কল্যাণ করছে। ভবিষ্যতে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের বিশুদ্ধ রক্তের মাধ্যমে পুরো দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, রক্তদান ছাড়াও কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন তাদের নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে শুদ্ধ, সচেতন ও জাগ্রত মানুষ গড়ে তুলছে। অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ বার, ২৫ বার এবং ৫০ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন এমন তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা জানায় সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে তাদেরকে সনদপত্র, বিশেষ আইডি কার্ড ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (মোটিভেশন) এম রেজাউল হাসান, স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের পক্ষে ফারজানা রাব্বি খান, নিয়মিত রক্তগ্রহীতাদের পক্ষে থ্যালাসেমিয়া রোগী সানজিদা আক্তার মুন্নি প্রমূখ।

এ সময় জানানো হয়, দেশের চাহিদার আট ভাগের এক ভাগ রক্ত সরবরাহ করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কোয়ান্টাম। দেশে প্রতিবছর প্রায় আট লক্ষ ব্যাগ নিরাপদ ও সুস্থ রক্তের চাহিদা রয়েছে। রক্ত ঘাটতির বিপুল এ চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই ১৯৯৬ সাল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কোয়ান্টাম। গত দুই দশকের প্রচেষ্টায় ১৩ লক্ষাধিক মানুষের জীবন রক্ষায় ভূমিকা রেখেছে এ সংগঠন।



সাতদিনের সেরা