kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শতাধিক তারকা নিয়ে ১৬ দিনের মহোৎসব, উন্মুক্ত সবার জন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ ডিসেম্বর, ২০২১ ০১:২৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শতাধিক তারকা নিয়ে ১৬ দিনের মহোৎসব, উন্মুক্ত সবার জন্য

বিজয়ের মাসের প্রথম দিন থেকে রাজধানীর হাতিরঝিলে শুরু হলো ‘বিজয়ের ৫০ বছর-লাল সবুজের মহোৎসব’। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে আবির্ভূত হয় নতুন দেশ- বাংলাদেশ। সেই মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর উদ্যোগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সার্বিক সহযোগিতায় ১৬ দিনব্যাপী এই মহোৎসব শুরু হলো।

উৎসবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছে ওয়ান মোর জিরো কমিউনিকেশনস। হাতিরঝিল এমফিথিয়েটারে বুধবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হয় এই বর্ণিল আয়োজন। এদিন সন্ধ্যায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিজয়ের মাসে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এই অনুষ্ঠান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী তথা মুজিববর্ষের সমাপনী আয়োজনকে আরো মহিমান্বিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সভাপতিত্ব করেন ও স্বাগত বক্তব্য দেন এফবিসিসিআই’র সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। এফবিসিসিআই’র বিজয় উৎসবের সার্বিক সহযোগিতা করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ডিএনসিসির মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

উদ্বোধনী আয়োজন শেষে শুরু হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। যাতে অংশ নেন সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, কৌশিক হোসেন তাপসসহ নাটক-সিনেমা ও গানের শতাধিক শিল্পী। উপস্থাপন করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিশেষ তথ্যচিত্র। সবশেষে চোখ ধাঁধানো আতশবাজি হাতিরঝিলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়।

আয়োজকরা জানান, ১৬ দিনব্যাপী এই আয়োজনের দ্বিতীয় দিন থেকে পর্যায়ক্রমে আরো থাকছে দেশের শিল্প ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রায় প্রতিটি শাখার স্বনামধন্য প্রবীণ ও নবীন শিল্পীদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠানমালা। স্ব-স্ব পরিবেশনা নিয়ে এতে উপস্থিত থাকবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীবৃন্দ, রবীন্দ্র, নজরুল, লোকসংগীত, আধুনিক ও ব্যান্ড সংগীতের স্বনামধন্য শিল্পীরা। নৃত্য, মঞ্চনাটকের পাশাপাশি থাকছে চলচ্চিত্র তারকাদের বিশেষ পারফরম্যান্স। থাকছে শিশু-কিশোর ও বিশেষ শিশুদের (প্রতিবন্ধী) পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এছাড়াও, স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্মানিত নারীদের উপস্থিতিতে বিশেষ অনুষ্ঠান। থাকছে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। দেশের সাত বিভাগের আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজির হবেন সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পীরা। উৎসবের শেষ দিন (১৬ ডিসেম্বর) বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানের আকর্ষণ হয়ে থাকবে মেগা কনসার্ট। যাতে উপস্থিত থাকবে দেশসেরা ব্যান্ড ও একক শিল্পীরা।



সাতদিনের সেরা