kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

ভাসানীর ‘রবুবিয়াহ’র রাজনীতি

গাজীউল হাসান খান

অনলাইন ডেস্ক   

১৯ নভেম্বর, ২০২১ ০৩:২৮ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ভাসানীর ‘রবুবিয়াহ’র রাজনীতি

পরাধীন ভারতে ব্রিটিশবিরোধী সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি থেকে স্বরাজ পার্টি, খিলাফত আন্দোলন থেকে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের নেতৃত্বে জনগণের মুক্তির জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। সে সময় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংগ্রামী কিংবা অধিকারবঞ্চিত মানুষের নেতৃত্বও দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কাছে মুক্তি শব্দটির অর্থ শুধু নিছক রাজনৈতিকভাবে স্বাধীনতা অর্জন কিংবা দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে তৎকালীন ভারতের বিভক্তিই  ছিল না; ছিল তার চেয়ে আরো গভীরে প্রোথিত, অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ কিংবা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত। সে কারণেই তথাকথিত স্বাধীনতা অর্জনের পর পূর্ব পাকিস্তানে এসে বছর দুয়েকের মধ্যে (১৯৪৯) তিনি পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ত্যাগ করেছিলেন পাকিস্তান আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ এবং প্রত্যাখ্যান করেছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানি নেতাদের আধা সামন্ততান্ত্রিক, আধা ঔপনিবেশিক ও শোষণ-শাসনের আধিপত্যবাদী রাজনীতি। ভাসানী জানতেন, বুর্জোয়া শ্রেণির নেতৃত্বে তখন পাকিস্তান নামের যে রাষ্ট্রটির জন্ম হয়েছিল, তা না ছিল গণতান্ত্রিক, না ইসলামী মূল্যবোধের। সে রাষ্ট্র মোটেও শ্রমজীবী বিশাল জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিবেদিত ছিল না। ভারতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ গঠনই করা হয়েছিল একটি পৃথক সুবিধাভোগী মুসলিম বুর্জোয়া গোষ্ঠী বা শ্রেণি গড়ে তোলার জন্য। তাতে অধিকার ও সুবিধাবঞ্চিত কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের মুক্তি অর্জনের ন্যূনতম কোনো সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। ফলে না হয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন, না হয়েছে পূর্ব পাকিস্তানে কোনো অর্থবহ উন্নয়ন। প্রকৃত অর্থে গণতান্ত্রিক আদর্শ বাস্তবায়ন কিংবা অবহেলিত ও শোষিত-বঞ্চিত মানুষের আর্থ-সামাজিক পুনর্জাগরণের কোনো রূপরেখাই ছিল না সেখানে।

                                         

পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন, বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা এবং বিশেষ করে কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার যে ঘোষণাপত্র নিয়ে মওলানা ভাসানী, শেরেবাংলা ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন, কেন্দ্রের ষড়যন্ত্রে তা ভেস্তে যায়। তাতে স্তম্ভিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা। পাকিস্তানের উলটপালটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ তার আদর্শ ও নীতিনৈতিকতার দিক থেকে কিছুটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে ১৯৫৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে টাঙ্গাইলের কাগমারীতে পাঁচ দিনব্যাপী এক সাংস্কৃতিক সম্মেলন ডাকেন মওলানা ভাসানী। তাতে দলীয় নেতা আওয়ামী লীগের হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, ইয়ার মোহাম্মদ খান ও শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেকে যোগ দেন। তাতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের ঘোষণাপত্র অনুযায়ী পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন দাবি করা হয়। এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত সেন্ট্রাল ট্রিটি অর্গানাইজেশন  (CENTO) এবং সাউথ ইস্ট এশিয়া ট্রিটি অর্গানাইজেশনে (SEATO) পাকিস্তানের যোগদানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। যুক্তফ্রন্ট প্রণীত ঘোষণাপত্র (২১ দফা) ও আওয়ামী লীগের দলীয় নীতি ছিল নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে। আর সবচেয়ে অবাক হওয়ার বিষয় হলো, তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি উত্থাপন করেন। তাতে দলীয় নেতাকর্মীরা আরো বিভক্ত হয়ে পড়েন। তারই ধারাবাহিকতায় মওলানা ভাসানী শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল থেকে নিজেই পদত্যাগ করেন। মওলানা ভাসানী বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বাম ধারার প্রগতিশীল রাজনীতিতে বিশ্বাসী দল। এ দল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ-সমর্থিত কোনো সামরিক জোটে যেমন যোগ দিতে পারে না, তেমনি সোভিয়েত সংশোধনবাদী সমাজতান্ত্রিক ধারাকেও সমর্থন করতে পারে না। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সব আগ্রাসী ও আধিপত্যবাদী শক্তি এবং সম্প্রসারণবাদী দেশকেও এড়িয়ে চলার পক্ষপাতী। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জনগণের শোষণমুক্তি, আর্থ-সামাজিক অধিকার আদায়ের জন্য দলটি জোটনিরপেক্ষ ব্লকে থাকার পক্ষপাতী ছিল। তখন থেকে মওলানা ভাসানী এবং আওয়ামী লীগের একটি অংশের মধ্যে পরিষ্কারভাবে একটি বামপন্থী ধারা অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তারই ধারাবাহিকতায় মওলানা ভাসানী শেষ পর্যন্ত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি দল গঠন করেন। সে দল থেকে ভাসানী অনুসারীরা সাম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে কর্মসূচি গ্রহণ করে। এ ছাড়া ভাসানী নিজেই একটি শোষণমুক্ত সমাজ ও কৃষক-শ্রমিক রাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ন্যাপ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মওলানা ভাসানী একটি বাম ধারার প্রগতিশীল সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বলে গেছেন। তবে তার পাশাপাশি ছিল ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার একটি তাগিদ। তিনি প্রায়ই বলতেন, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ধারায় জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচন সম্ভব নয়। কারণ সে ব্যবস্থাটি প্রায় সম্পূর্ণভাবেই দুর্নীতিগ্রস্ত। কোরআন-হাদিসের শিক্ষায় শিক্ষিত একজন আলেম হয়েও ভাসানী সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি যেমন মার্ক্সবাদী ছিলেন, তেমনি ধর্মান্ধ আলেমও ছিলেন না। তিনি বিশ্বাস করতেন ‘রবুবিয়াহ’তে, ইংরেজিতে যাকে বলে  (Divine Providence)| সব কিছুর ওপর স্রষ্টার সার্বভৌমত্ব। তিনি সব সৃষ্টির মালিক। তাঁর সৃষ্টিতে সমান অধিকার রয়েছে সব মানুষের। শাসক ও শাসিতের মধ্যে প্রভেদ বা ভিন্নতা থাকবে না। কেউ গড়ে তুলতে পারবে না অন্যায় বা অন্যায্যভাবে সম্পদের পাহাড়। রাষ্ট্রের শাসক বা প্রতিনিধিদের দায়িত্ব নিতে হবে জনগণের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ভরণ-পোষণের। এ ছাড়া বর্তমান পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে নাগরিকদের সম্পদ অর্জনের বা মালিকানার ক্ষেত্রে যে বিশাল বৈষম্য দেখা যাচ্ছে তা রবুবিয়াহর আইনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আরবি শব্দ রবুবিয়াহর আইনে বা ব্যবস্থায়

(The Role of Rububiyah) রাষ্ট্রের বা দেশের সব সম্পদের ওপর সব নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। এ ব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতিতে কিংবা ব্যবস্থার চেয়ে আরো গভীরে প্রোথিত। বর্তমান বিশ্ব একটি সম্পূর্ণ একমুখী ব্যবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে আর কোনো বিকল্প নেই। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার বলেছেন, ‘পুঁজিবাদের কোনো বিকল্প নেই।’ সেই একমুখী পুঁজিবাদই রাষ্ট্র কিংবা সমাজে সব শোষণ-বঞ্চনা, বৈষম্য ও ব্যবধান সৃষ্টি করে বলে মওলানা ভাসানী রবুবিয়াহ থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। রবুবিয়াহর ওপর মওলানা ভাসানীর একটি চটি বই রয়েছে।

মওলানা ভাসানী ভারতীয় উপমহাদেশের এত বড় একজন নেতা হয়েও নিজে কোনো দিন ক্ষমতা হাতে তুলে নেননি, বরং তিনি তাঁর দল থেকে প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রীসহ অনেক মন্ত্রী-এমপি বানিয়েছেন। ভাসানী আপাদমস্তক একজন প্রতিবাদী নেতা ছিলেন। যেখানেই অন্যায়, অবিচার, শোষণ-বঞ্চনা ও মানুষের মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন দেখেছেন, সেখানেই গর্জে উঠেছেন তিনি। এমনকি আন্তর্জাতিকভাবেও তিনি সাম্রাজ্যবাদ, আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ছিলেন সর্বদা সোচ্চার। আফ্রো-এশিয়া ও লাতিন আমেরিকাব্যাপী সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কথা বলেছেন তিনি। সে কারণেই তাঁকে আফ্রো-এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার নির্যাতিত মানুষের নেতা বলে গণমাধ্যম আখ্যায়িত করেছে বারবার। প্রথম জীবনে টাঙ্গাইলে কিছুদিন স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। তারপর রাজনীতি, আন্দোলন ও কারাবাস। তাঁর ৯৬ বছরের জীবনের প্রায় অর্ধেক সময়ই তাঁকে কারাগারে কিংবা আত্মগোপনে থেকে বাঁচতে হয়েছে। কৃষকসমাজের মুক্তির লক্ষ্যে তাঁর আন্দোলন ছিল দীর্ঘ ও আপসহীন। তিনি টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিশাল আকারের কৃষক সম্মেলন আয়োজন করেছেন। কৃষক-শ্রমিকদের সংগঠিত করেছেন তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য। সে কারণেই তিনি কৃষক-শ্রমিকের নেতা হিসেবে দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছেন। ভাসানী কখনো শহর-নগরে বাস করেননি। আজীবন তাঁর বসবাস ছিল গ্রামের কৃষকসমাজের মাঝে। তিনি আসামের ধুবড়ি ছাড়াও যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে টাঙ্গাইল থেকে প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে পাস করেছিলেন। তবে উভয় ক্ষেত্রেই কিছুদিন পর কোনো না কোনো কিছুর প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছিলেন তিনি। ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে তিনি মহাত্মা গান্ধী থেকে শুরু করে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, এমনকি স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ভারত ও পাকিস্তানের জেলেও কাটিয়েছেন রাজনৈতিক আন্দোলনের কারণে।

গত অক্টোবরে মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক চীন সফরের ৫৮ বছর পূর্তি হয়েছে। চীনের ১৪তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১০ অক্টোবর ১৯৬৩ সালে তিনি চীন গিয়েছিলেন। ভাসানী পাকিস্তানের এক বিশাল প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সেবার। বেইজিংয়ে অবস্থানকালে ভাসানী চীনের অবিসংবাদিত নেতা ও সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের কর্ণধার মাও জেদংয়ের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মিলিত হয়েছিলেন। সে সময় তাঁরা চীন ও পাকিস্তানের পারস্পরিক স্বার্থ নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করেন। ভাসানী চীনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইয়ের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। চীনের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছাড়াও বেশ কিছুদিন চীনের কৃষিপ্রধান অঞ্চল ও শিল্প-কারখানা পরিদর্শন করে বেড়িয়েছেন তিনি। তাঁর সে চীন সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছিলেন। ভাসানীর চীন সফর, কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা ও কর্মকৌশল গ্রহণকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী পর্যায়ে পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের গভীর বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য এবং সামরিক দিক থেকে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। উনসত্তর সালে ভাসানীর আন্দোলনের কারণেই মূলত পাকিস্তানের লৌহমানব আইয়ুব খানের পতন ঘটে এবং সে আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ব্যাপক অংশগ্রহণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত করে আনতে সাহায্য করে বলে তথ্যাভিজ্ঞ মহল মনে করে।

ভাসানী মার্ক্সবাদী কমিউনিস্ট ছিলেন না। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে তিনি কোনো ধর্মান্ধ মৌলবাদী ব্যক্তিও ছিলেন না। তবে তিনি অবশ্যই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের স্রষ্টা এবং তাঁর নিরঙ্কুশ সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন। স্রষ্টার দৃষ্টিতে সব মানুষ সমান এবং সব কিছুর ওপর তাদের সমান অধিকার রয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এটাই তাঁর রাজনীতির মূল ভিত্তি। ১৭ নভেম্বর ২০২১ ছিল মওলানা ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। তাঁর মহান স্মৃতির প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

লেখক : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক

[email protected]



সাতদিনের সেরা