kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ মাঘ ১৪২৮। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের সমাবেশ

বন্ধ পাটকল রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু ও আধুনিকায়নের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ নভেম্বর, ২০২১ ১৭:৫৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্ধ পাটকল রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু ও আধুনিকায়নের দাবি

লিজ বা ব্যক্তিমালিমানায় নয়, বন্ধ সকল পাটকল রাষ্ট্রীয় মালিকানায় চালু ও আধুনিকায়নের দাবি জানিয়েছে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। আজ সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়। এছাড়া ৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকদের পাওনা ২০১৫ সালের মজুরি কমিশন অনুযায়ী এবং শ্রমিকদের অন্যান্য বকেয়া অবিলম্বে পরিশোধের দাবি জানানো হয়।

পরিষদের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদার সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব এস এ রশীদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, বাম গণতান্ত্রিক জোট সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র সভাপতি শহীদুল্লাহ্ চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য মানস নন্দী, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন সভাপতি জহিরুল ইসলাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশন আহ্বায়ক শামীম ইমাম, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক এএএম ফয়েজ, ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলিফ দেওয়ান, বিপ্লবী শ্রমিক সংহতি সভাপতি আবু হাসান টিপু, শ্রমজীবি সংঘ সভাপতি আব্দুর রশীদ, ইস্টার্ণ জুট মিল সাবেক সিবিএ সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক খান, জাতীয় জুট মিল শ্রমিক কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম, খালিশপুর জুট মিল সিবিএ সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, বদলি পাটকল শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের নেতা ইলিয়াস হোসেন, প্লাটিনাম জুট মিলের নেতা আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, স্টার জুট মিলের নেতা হামজা গাজী, ক্রিসেন্ট জুট মিলের নেতা জাকির হোসেন, করিম জুট মিল সংগ্রাম কমিটি সভাপতি মো. গোফরান ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন আলম, লতিফ বাওয়ানী জুট মিল সংগ্রাম কমিটি সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, খালিশপুর জুট মিল কারখানা কমিটি সদস্য সচিব আলমগীর কবির, দৌলতপুর জুট মিল কারখানা কমিটি আহ্বায়ক শেখ নূর মোহাম্মদ ও সদস্য সচিব মোফাজ্জল হোসেন, জেজেআই মিলের নেতা শামস শারফিন, কার্পেটিং জুট মিলের নেতা জামাল মোল্লা, আলীম জুট মিলের নেতা শেখ রসুল প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের অর্থে পরিচালিত জাতীয় সম্পদ পাটকল ও চিনিকলসহ সকল রাষ্ট্রীয় কারখানা গত ৫০ বছরে ক্ষমতায় থাকা সকল পুঁজিবাদী দলগুলোর নেতৃত্বে লুটপাট চালিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। আবার লোকসানি খাত দেখিয়ে সেগুলির সম্পদ পানির দামে ব্যক্তিমালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এই পুরো প্রক্রিয়া পরিকল্পিত। সরকার পাটকলে গত ৪৪ বছরে সাড়ে ১০হাজার কোটি টাকা লোকসান হওয়ার কথা বলেছে। অথচ প্রতি বছর এর প্রায় দশগুণ টাকা বিদেশে পাচার হয়। তাই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় গণতান্ত্রিক দেশপ্রমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে নামতে হবে।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, পাটকল বন্ধ করা হয়েছে ১৬ মাস আগে। অথচ এখনো সকল শ্রমিক তাদের বকেয়া পাওনা পায়নি। অবিলম্বে তাদের সকল বকেয়া পাওনা ২০১৫ সালের মজুরি কমিশন অনুযায়ী পরিশোধ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন নেতৃবৃন্দ।



সাতদিনের সেরা