kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৯ ডিসেম্বর ২০২১। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশ

মিত্রদের মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী থেকে দূরে রাখুন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২১ ০৩:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিত্রদের মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী থেকে দূরে রাখুন

‘জেনোসাইডের’ সঙ্গে সম্পৃক্ত মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী থেকে আসিয়ান ও কোয়াডের মিত্রদের দূরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত বুধবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আটলান্টিক কাউন্সিলে বক্তব্য দেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের আরো সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র আরো ভূমিকা রাখতে পারে বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে।’

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে রোহিঙ্গা ইস্যু জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে আনতে পারে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের আরো জোরালো মনোভাব প্রতিফলিত হবে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় আটলান্টিক কাউন্সিল ‘ভাসানচর নিয়ে নতুন চুক্তি : বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের জন্য এখন কী?’ শীর্ষক ওই ওয়েবিনার আয়োজন করে। আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া সেন্টারের জ্যেষ্ঠ পরিচালক ইরফান নুরুদ্দীন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মিয়ানমারের জন্য অগ্রাধিকার বাজার সুবিধাসহ (জিএসপি) অন্যান্য সুবিধা বাতিল করতে পারে। ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে মিয়ানমারের ওপর যে নিষেধাজ্ঞাগুলো ছিল, সেগুলো ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের জন্য ব্যবসায় নিরুৎসাহিত করাও জরুরি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত অপরাধকে ‘জেনোসাইড’ ও ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে নির্ধারণের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে।

সমাজে বিদ্বেষ ছড়ানো ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের বিভিন্ন দিক, প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা ও আশ্রয় নেওয়াসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

যে ধরনের সরকারব্যবস্থাই থাকুক না কেন, মিয়ানমারেরই দায়িত্ব রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করা বলে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রদূত।  



সাতদিনের সেরা