kalerkantho

বুধবার । ১২ মাঘ ১৪২৮। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বিডিসিএসও প্রসেস’র বার্ষিক সম্মেলনে নাগরিক সমাজের আহ্বান

স্বচ্ছ অংশীদারিত্ব নীতিমালা প্রণয়নে উদ্যোগী হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ অক্টোবর, ২০২১ ১৮:৪৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্বচ্ছ অংশীদারিত্ব নীতিমালা প্রণয়নে উদ্যোগী হতে হবে

স্বচ্ছ অংশীদারিত্ব নীতিমালা প্রণয়নে সরকার ও সাহায্য সংস্থাগুলোকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনজিও-সিএসও কো-অর্ডিনেশন প্রসেস (বিডিসিএসও প্রসেস)-এর বার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, দেশে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত সরকার, জাতিসংঘ সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে একটি স্বচ্ছ ও নীতিমালা ভিত্তিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। এটি স্থানীয় জাতীয় এনজিও সিএসও বিকাশের সহায়ক।

সোমবার ভাচুর্য়ালী আয়োজিত ‘একটি কার্যকর নাগরিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে নীতিমালা ভিত্তিক অংশীদার নির্বাচনের স্বচ্ছ প্রক্রিয়া’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন নারী পক্ষের শিরীন হক।

বিজ্ঞাপন

আলোচনায় অংশ নেন জেনেভাভিত্তিক গ্লোবাল মেনটরশিপ ইনিশিয়েটিভএর প্রতিষ্ঠাতা শ্রুতি প্যাটেল, এডাবের একেএম জসিম উদ্দিন, ইপসার আরিফুর রহমান, পালস’র আবু মুর্শেদ চৌধুরী, আইসিডি’র আনোয়র জাহিদ, তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার খোন্দকার ফারুক আহমেদ, জিবিএসএস’র মাসুদা ফারুখ রত্নভ, দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার রফিকুল ইসলাম, বিএনএনআরসি’র এএইচএম বজলুর রহমান এবং কোস্ট ফাউন্ডেশনের মো. মজিবুল হক মনির ও ফেরদৌস আরা রুমী।

আলোচনায় অংশ নিয়ে শিরীন হক বলেন, নেপাল কখনই কোনো বিদেশি শক্তির উপনিবেশ ছিল না, মূলতঃ সেই চেতনা দ্বারা শক্তিশালী হয়েই তারা নিয়ম তৈরি করেছে, কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা, তা জাতিসংঘ বা আইএনজিওই যাই হোক না কেন, স্থানীয় সরকার বা স্থানীয় এনজিওর অংশীদারিত্ব ছাড়া সরাসরি মাঠ পর্যায়ে কোনও প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশী স্থানীয় এনজিওগুলো এখন যথেষ্ট পরিপক্ক হয়েছে। একারণে সরকারসহ সকল পক্ষের উচিৎ বিদেশী সহায়তা নির্ভর মানবিক ও উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে একটি অংশীদারিত্ব নীতিমালা প্রণয়ন করা।

শ্রুতি প্যাটেল বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীজনদেরকে স্থানীয় ও জাতীয় সংস্থাগুলোর সাথে সম্পূরকতা এবং সংহতিপূর্ণ অংশীদারিত্ব থাকা উচিত। একে অপরের ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়ার উপর ভিত্তি করে তাদের অংশীদারিত্বকে হতে হবে।

একেএম জসিম উদ্দিন দুটি আন্তর্জাতিক সংগঠনের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে বলেন, সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর সংস্থাকে সাব-কন্ট্রাক্টর বা বিক্রেতা হিসাবে বিবেচনা করেছেন। বিদেশী সাহায্যের সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য আমাদের সরকারের একটি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি থাকা উচিত, এই বিষয়গুলোতে তাদের অবশ্যই হস্তক্ষেপ করতে হবে।

এএইচএম বজলুর রহমান বলেন, দাতারা স্থানীয় পর্যায়ে সাহায্য ব্যবহারে একটি বাণিজ্যিকীকরণ এবং একচেটিয়াত্বের সংস্কৃতি তৈরি করছে। যা আমাদের মধ্যে মানবিক, উন্নয়ন, মানবাধিকার এবং গণতন্ত্র বিকাশে বিকেন্দ্রীভূত নাগরিক সমাজ সংগঠন তৈরির জন্য খুব উপযুক্ত নয়। প্রতিযোগিতামূলকও নয়। তাই এ বিষয়ে স্বচ্ছ নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।



সাতদিনের সেরা