kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিডিসিএসও-র বার্ষিক সম্মেলনে বক্তারা

টেকসই উন্নয়নে নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ অক্টোবর, ২০২১ ১৭:০৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টেকসই উন্নয়নে নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য

দেশের উন্নয়নকে অধিকতর কার্যকর ও টেকসই করতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনরা। বাংলাদেশ এনজিও-সিএসও কো-অর্ডিনেশন প্রসেস (বিডিসিএসও প্রসেস)-এর বার্ষিক সম্মেলনে তারা তৃণমূল জনগোষ্ঠির উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য নাগরিক সমাজকে প্রস্তুতি প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন।

আজ শনিবার স্থানীয় ও জাতীয় প্রায় ৬০০ এনজিও-সিএসও’র নেটওয়ার্ক বিডিসিএসও-র বার্ষিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। তিনদিন ব্যাপী সম্মেলনের প্রথম দিনের অধিবেশনের শিরোনাম ছিলো, ‘স্থানীয় নাগরিক সমাজ : কেন এবং কিভাবে তৃতীয় একটি খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে?’ পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদের সভাপতিত্বে ও কোস্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অধিবেশনে বক্তৃতা করেন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক কে এম তারিকুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ডেভেলপমেন্ট ইফেকটিভনেস উইং-এর উপসচিব আবুল কালাম আজাদ, ইউএনডিপি’র সুদীপ্ত মুখার্জি, ক্রিশ্চিয়ান এইড’র মিশেল মৌসুলম্যান, সুপ্র’র আবদুল আওয়াল, বিইউপি’র ফয়জুল্লাহ চৌধুরী, দুর্যোগ ফোরামের নাইম গওহর ওয়াহরা, রূপান্তরের রফিকুল ইসলাম খোকন, উদয়ন বাংলাদেশের শেখ আসাদুজ্জামান, ইমলএলএমএ’র জেসমিন সুলতানা পারু প্রমুখ।

সম্মেলনে কাজী খলিকুজ্জামান আহমদ বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি উন্নয়র লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, দুর্যোগ মোকাবেলায় নাগরিক সংগঠন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তাই উন্নয়নকে টেকসই করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালি করার পাশাপাশি নাগরিক সমাজকে সম্পৃক্ত করতে হবে। শুধু নিজের প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা চিন্তা না করে, সবার মর্যাদাপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

মহাপরিচালক কে এম তরিকুল ইসলাম বলেন, সীমাবদ্ধতা থাকা স্বত্ত্বেও তৃণমূল পর্যায়ে প্রান্তিক মানুষের উন্নয়নে এনজিওগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এক্ষেত্রে নাগরিক সমাজেরও যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। নাগরিক সমাজ একদিকে যেমন নাগরিকের কাছে সরকারের বার্তা পৌঁছাবে, অন্যদিকে নাগরিকের কথাগুলোও সরকারের কাছে তুলে ধরবে। এজন্য নাগরিক সমাজেরও যথেষ্ট প্রস্ততি নিতে হবে।

উপসচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা অর্থ সহায়তার কার্যকারিতা থেকে উন্নয়নের কার্যকারিতার যুগে প্রবেশ করেছি। সরকার উন্নয়ন কার্যকর করতে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছে। উন্নয়ন কার্যক্রমে নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করার বিষয়ে সরকার আস্তরিক।

জেসমিন সুলতানা পারু বলেন,  মুক্তিযুদ্ধে সময় ও যুদ্ধপরবর্তী দেশ পুনর্গঠনে নাগরিক সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এখানো নাগরিক সমাজের সেই ভূমিকা নিশ্চিত তরতে হবে। তাই সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকেই তৃণমূলের সংগঠনগুলোর বিকাশে সহযোগিতা করতে হবে।

রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নাগরিক সমাজ সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে চেতনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তাই এই অবদানগুলোর আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রয়োজন।



সাতদিনের সেরা