kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২ ডিসেম্বর ২০২১। ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৩

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইনসহ পাঁচ দাবি হিন্দু পরিষদের

অনলাইন ডেস্ক   

২২ অক্টোবর, ২০২১ ২১:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইনসহ পাঁচ দাবি হিন্দু পরিষদের

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ পাস ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়ে শাহবাগ ছেড়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বেশ কয়েকটি সংগঠন।

আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে সেখান থেকে মশাল মিছিল নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে গিয়ে তাদের কর্মসূচি শেষ করা হয়।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের ডাকে কর্মসূচিতে জাগো হিন্দু পরিষদ, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ জোট, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ, ইন্টারন্যাশনাল শ্রীশ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনসহ বেশ কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের দুই শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে।

শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিশ্র বলেন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ণ ও কমিশন গঠন করতে আমরা সরকারকে দুই সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিচ্ছি। এই দুই সপ্তাহের মধ্যে সংখ্যালঘু  সুরক্ষা আইন প্রণয়নে তৎপরতা না দেখলে আমরা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় বরাবর পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করব।

বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় বলেন, আপনারা জানেন দেশব্যাপী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর কী নারকীয় হামলা হয়েছে। প্রশাসন সেখানে তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। রাষ্ট্র সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িতরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে। এর আগেও সাম্প্রদায়িক হামলায় সংখ্যালঘুরা বিচার পায়নি। হামলার কুশীলবরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। আমরা চাই, হামলার নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদেরকেও যেন বিচারের আওতায় আনা হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি থেকে বিক্ষোভকারীরা ‘জাগো রে জাগো, হিন্দু জাগো’, ‘মৌলবাদের আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘জিহাদিদের আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা-মেঘনা-যমুনা’, ‘মন্দিরে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘রংপুরে আগুন কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা সম্প্রতি পবিত্র কোরআন শরিফ অবমাননাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক হামলার সঙ্গে জড়িদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ সময় তারা এ দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সার্বিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন’ পাস ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন করার দাবিও জানান।

এর আগে সকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে সারা দেশে মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও হিন্দুদের ওপর সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করে সংগঠনগুলো। 



সাতদিনের সেরা