kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

প্রধানমন্ত্রী বললেন

‘কু’ নাম দিয়ে বিভাগ দেব না, নদীর নামে হবে দুই বিভাগ

অনলাইন ডেস্ক   

২১ অক্টোবর, ২০২১ ১৮:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘কু’ নাম দিয়ে বিভাগ দেব না, নদীর নামে হবে দুই বিভাগ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে পদ্মা ও মেঘনা নামে দুটি বিভাগ হবে। ফরিদপুর বিভাগ হবে পদ্মার নামে। আর কুমিল্লা বিভাগ হবে মেঘনা নামে। কুমিল্লা নাম দেওয়া হবে না। কু নাম দিয়ে আমি কোনো বিভাগ দেব না। কারণ, কুমিল্লার নামের সঙ্গে মোশতাকের নাম জড়িত।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের নবনির্মিত কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভাগের বিষয়ে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দুটি নদীর নামে দুটি বিভাগ বানাব। একটা পদ্মা অন্যটা মেঘনা।

এ সময় কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেন, আপা কুমিল্লার নামে। সারা কুমিল্লার মানুষ কুমিল্লা নামে চায়।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ‘কু’ নাম দেব না আমি। আমি কুমিল্লা নামে দেবো না। কারণ তোমার এই কুমিল্লা নামের সঙ্গে মোশতাকের নাম জড়িত। সে জন্য দেবো না। না, আমি দেবো না তো বললাম। তোমরা যদি রাজি থাকো ওই কুমিল্লা নাম নিলেই মোশতাকের কথা মনে আসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ফরিদপুর বিভাগ করবো পদ্মা নামে, ফরিদপুর নামও দিচ্ছি না। ফরিদপুর সেটা হবে পদ্মা আর কুমিল্লা হবে মেঘনা নামে। কারণ পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা। এই স্লোগান দিয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, কুমিল্লার আসল নাম ছিল ত্রিপুরা। এটা ভুলে যেও না এখনো পুরনো কাগজে ত্রিপুরা লেখা আছে। পুরনো দলিলের ত্রিপুরা লেখা আছে। ঠিক আছে আমার প্রস্তাব রাখলাম যদি পছন্দ হয় ভালো, না হলে হবে না। আমি কি করব। আমাদের দুইটা বড় নদী, নদীর নামটা আমি সম্মান দিয়ে রাখতে চাই। যে স্লোগান দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি সেই স্লোগান দিচ্ছি।

কুমিল্লা প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে গণভবনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।



সাতদিনের সেরা