kalerkantho

শনিবার । ৭ কার্তিক ১৪২৮। ২৩ অক্টোবর ২০২১। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চাকরির খোঁজে ঢাকায় এসে সড়কে প্রাণ গেল তরুণের

অনলাইন ডেস্ক   

১৩ অক্টোবর, ২০২১ ০২:১৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাকরির খোঁজে ঢাকায় এসে সড়কে প্রাণ গেল তরুণের

প্রতীকী ছবি

চাকরির খোঁজে ঢাকায় এসে বিমানবন্দর এলাকায় সড়কে গাড়িচাপায় এক তরুণ নিহত হয়েছেন। তার নাম রাহিমুল কবির (২০)। গতকাল মঙ্গলবার ভোরের দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত রাহিমুল কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার ছয়তির গ্রামের লুৎল কবিরের ছেলে। তিনি বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক। ভোরের দিকে অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের চাপায় গুরুতর আহত হন রাহিমুল। আহত অবস্থায় তিনি সড়কে দীর্ঘ সময় পড়ে ছিলেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বোন শারমীন আক্তার বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। তবে কোন গাড়ি রাহিমুলকে চাপা দেয় তা এখনো জানতে পারেনি পুলিশ। এমনকি গাড়ির চালক সম্পর্কেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি জানিয়ে বিমানববন্দর থানার ওসি (তদন্ত) মো. কায়কোবাদ কাজী কালের কণ্ঠকে বলেন, বিমানবন্দর বলাকা অফিসের সামনের সড়কে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরপরই চালক গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যান। আশপাশের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা সংগ্রহ করে গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ঢামেক মর্গে রাহিমুলের বোন শারমীন আক্তার কালের কণ্ঠকে বলেন, রাহিমুল আগে গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করত। করোনাকালে তাঁর চাকরি চলে যায়। পরে সে গ্রামে চলে যায়। এরপর নতুন করে চাকরির খোঁজে গত সোমবার গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে চাকরি খুঁজছিল। এ অবস্থায় দুর্ঘটনায় মারা গেল জানিয়ে আবেগতারিত হয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ঘটনার বিচার চাই। যে গাড়ির চালক ভাইকে মেরে ফেলল তার গ্রেপ্তার চাই।’  

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল মিয়া গতকাল বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, ভোরের দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর পুলিশ বক্সের এক শ গজ দক্ষিণে অজ্ঞাত গাড়িচাপায় এক যুবক রাস্তায় পড়ে ছিল। খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ভোর পৌনে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে রাহিমুলের কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহটি ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘাতক গাড়িটিকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।



সাতদিনের সেরা