kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে নারী শিক্ষা উৎসাহিত করতে এমপিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার

আস্থাহীনতায় করোনাকালে বাল্যবিয়ে বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে নারী শিক্ষা উৎসাহিত করতে এমপিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে নারী শিক্ষাকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে তথা বিএপিপিডি’র সকল কর্মকাণ্ড তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি। এক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত পদপেসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, অস্বচ্ছল পিতা-মাতাদের আস্থাহীনতার কারণে করোনাকালীন সময়ে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আজ শনিবার গাজীপুরের কালিগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় গঠিত বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ পার্লামেন্টারিয়ান্স অন পপুলেশন এন্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএপিপিডি) কর্তৃক বাল্যবিবাহ ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ শীর্ষক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ‘বাল্যবিবাহ ও জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক উপ-কমিটি’র আহ্বায়ক বেগম মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, আরমা দত্ত, শিউলি আজাদ, শবনম জাহান ও ফখরুল ইমাম এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে. এম. আব্দুস সালাম ও প্রকল্প পরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহ।

ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছি। সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁকে ‘এসডিজি প্রগেস এওয়ার্ড’-এ ভূষিত করা হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের জনবান্ধব ধারণাটি প্রধানমন্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত চিন্তার ফসল। কারণ, তিনি গ্রামে, চরে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষকে সেবা দেয়ার বিষয়টি সর্বদা প্রাধান্য দেন। সারাদেশে ১২ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক কাজ করছে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, করোনাকালে সারাবিশ্বে নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নারীর প্রতি সহিংসতা ও বাল্যবিবাহের মতো উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে হবে। কন্যাসন্তানদের অস্বচ্ছল পিতা-মাতাদের আস্থাহীনতার কারণে করোনাকালীন সময়ে বাল্যবিবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকৃতপক্ষে কন্যাসন্তান তাদের জন্য বোঝা নয়। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি অভিভাবকদের এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।



সাতদিনের সেরা