kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দামে দিশাহারা ক্রেতা

রোকন মাহমুদ   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০২:০৫ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



দামে দিশাহারা ক্রেতা

নিত্যপণ্যের বাজারে জমেছে কালো মেঘ। করোনার এই দুঃসময়ে দামের ঝাঁজে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের চোখে জলকণা। মাস না ফুরাতেই অনেকেরই পকেট হচ্ছে ‘গড়ের মাঠ’। সহজ দামে যেন কোনো পণ্যই মিলছে না। আগুনদামের কারণে অনেক পণ্যে হাত দেওয়ার সাহসই পাচ্ছে না ক্রেতারা। অতিমারিতে এমনিতেই মানুষের জীবনযাত্রা গতিহীন। কেউ কেউ হারিয়েছেন চাকরি। অনেকের চাকরি থাকলেও ঝুলে গেছে বেতন। দীর্ঘ লকডাউনের পর ব্যবসায়ীরা প্রতিষ্ঠান খুললেও এখনো পুরোপুরি ফেরেনি ছন্দ। এমন প্রেক্ষাপটে নিত্যপণ্যের দামের এমন আস্ফাালন মানুষকে কাঁদাচ্ছে। 

নিম্ন শ্রেণির মানুষ মোটা চালে ডাল মিশিয়ে পেট ভরাবে, নেই সেই উপায়। গরিবের মসুর ডালে চলছে খেল। কিছুটা স্থির চালের চালবাজি, তবে জারি তেলের তেলেসমাতি। পরিবারের ছোট্ট সদস্যকে যে দুধ মুখে তুলে দেবেন বাবা, সেই প্যাকেটজাত দুধের দরটাও এখন পাগলা ঘোড়া। ডিম কিনতে রীতিমতো হিমশিম। আটা-ময়দা কিনতে বেকায়দা। ব্রয়লার মুরগিও দিচ্ছে দামে সুড়সুড়ি। আর চিনির দামটাও এখন অচেনা। রুপালি ইলিশের এখনো ‘রুপার দর’, একাই নাচিয়ে যাচ্ছে বাজার। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে কোনো পণ্যের দাম একবার চড়লে আর সহজে নামে না।

তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের বাড়তি দাম, জাহাজভাড়াসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারেও সমন্বয় করতে হচ্ছে। দাম বাড়ার এই প্রক্রিয়ায় সরকার প্রতিনিয়ত নজর রাখছে। তাই কোনো পণ্যেরই অযৌক্তিক দাম বাড়েনি।

সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএস বলছে, করোনা মহামারিতে অন্তত এক কোটি ৬০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে যাবে। আর বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ব্র্যাক ও পিপিআরসি বলছে, আগে দেশের ২০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। এখন সেটা আরো ৫ শতাংশ বেড়ে ২৫ শতাংশে উঠেছে। একদিকে মানুষের আয় কমছে, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে মাঝখানে চিড়েচ্যাপটা হচ্ছে সাধারণ ক্রেতা। এর ওপর গত মঙ্গলবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার দেড় থেকে ২ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দেয় সরকার। এতে যাঁরা এই আয় দিয়ে সংসার চালান, তাঁরা আরো বিপদে পড়বেন।

এদিকে পণ্যের দামের এমন পরিস্থিতি এড়াতে বাজার তদারকি ও আমদানি কমিয়ে স্বনির্ভর হতে পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

কেমন বেড়েছে দাম : বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বছরের শুরুতে জানুয়ারিতে চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা, ময়দা, গুঁড়া দুধ, সবজি, মাছ, মাংস, ডিমসহ ভোগ্য ও নিত্যপণ্যের যে দাম ছিল, জুলাই-আগস্টে এর চেয়ে অনেকটাই বাড়ে। আর সেপ্টেম্বরে এসে আরেক দফা বাড়ল। অথচ এই সময়টাতে ক্রেতার আয় বাড়েনি। ফলে স্বভাবতই চাপে পড়েছে তারা।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাজার ঘুরে দেখা যায়, এই সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে মোটা দানার মসুর ডালের। মূলত নিম্ন আয়ের মানুষের প্রধান খাবার এই ডাল। বাজারে এখন বড় দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৮৮ থেকে ৯০ টাকা কেজি। সপ্তাহ দুয়েক আগেও ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় কেনা যেত। গত জানুয়ারিতে এই মানের ডাল ছিল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি। চিনির দাম অবশ্য সপ্তাহ দুয়েক ধরেই বাড়তি। যদিও সরকার ও ব্যবসায়ীরা মিলে সর্বোচ্চ খুচরা দাম ৭৫ টাকা বেঁধে দিয়েছিলেন; কিন্তু এই দামে পাওয়া যাচ্ছে না চিনি। বাজারে এখন খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। আর প্যাকেটজাত চিনি বেচাকেনা হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি। দাম বেশি হওয়ায় অনেক খুচরা বিক্রেতা খোলা চিনি আনা বন্ধ করে দিয়েছেন। চিনির সঙ্গে ভোজ্য তেল সয়াবিন ও পাম তেলের দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। বাজারে এখন খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪২ টাকা কেজি। সেপ্টেম্বরের শুরুতেও খোলা সয়াবিন ছিল ১৩৭ থেকে ১৩৮ টাকা কেজি। এর আগে গেল জানুয়ারিতে ছিল ১২২ থেকে ১২৪ টাকা কেজি। বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন ১৫৩ থেকে ১৬০ টাকা লিটার। গত আগস্ট পর্যন্ত ছিল ১৪৫ থেকে ১৪৯ টাকা লিটার। জানুয়ারিতে ছিল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা। সয়াবিনের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে পাম তেলের দামও। পাম লুজ ও সুপার বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৩৪ থেকে ১৩৬ টাকা কেজি। গত আগস্ট পর্যন্ত ছিল ১২২ থেকে ১২৮ টাকা, এর আগে জানুয়ারিতে ছিল ১০০ থেকে ১১২ টাকা কেজি।

বাজারে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই আটা-ময়দার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। এখন সেই আটা-ময়দার দামও বেড়েছে। বাজারে এখন খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা কেজি, গত মাস পর্যন্ত যা ছিল ৩০ থেকে ৩২ টাকা কেজি। প্যাকেটজাত আটা বর্তমানে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। দুই মাস আগেও ময়দার দাম ছিল ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা কেজি।

বাজারে গুঁড়া দুধের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা। খুচরায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফুলক্রিম গুঁড়া দুধ বিক্রি হচ্ছে ৬৯০ থেকে ৭২০ টাকা কেজি। গেল মাসে দুধ কেনা যেত ৫৭০ থেকে ৬৬০ টাকা কেজি। এ বছরের শুরুতে গুঁড়া দুধের দাম ছিল ৫০০ থেকে ৬৩০ টাকার মধ্যে।

বাজারে মুরগির ডিমের দাম নামছেই না। এক মাস আগে ফার্মের ডিম বিক্রি হয়েছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা ডজন। এখন বেড়ে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় ঠেকেছে। গত জানুয়ারিতেও ডিমের দাম ছিল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা ডজন।

দীর্ঘদিন ব্রয়লার মুরগির বাজারে খামারিদের হাহাকার ছিল। ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি মুরগির উৎপাদন খরচ দিয়ে বিক্রি করতে হয়েছে ৯৫ থেকে ১০৫ টাকা কেজি। খুচরা বাজারে তা ১১৫ থেকে ১২৫ টাকার মধ্যে ছিল। তবে গত আগস্ট থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে দাম। বাজারে এখন খুরচায় ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, গত মাসে যা ছিল ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকার মধ্যে।

চালের দাম মাসখানেকের মধ্যে না বাড়লেও স্বস্তি আসেনি। এখনো সরু চাল কিনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৮ টাকা কেজিতে। বিক্রেতারা বলছেন, এই সময়টায় দাম আরো বেশি থাকত, যদি আমদানি অনুমোদন না দেওয়া হতো। ভারত থেকে কিছু কম দামের চাল আসায় দাম না কমলেও বাড়েনি। মাসখানেক আগেও সরু চালের দাম কেজিতে উঠে গিয়েছিল ৬৫ থেকে ৭২ টাকা। জানুয়ারিতে এ মানের চালের দাম ছিল ৫৮ থেকে ৬৪ টাকা কেজি। এ ছাড়া মোটা চালের দাম বাজারে এখন ৪৬ থেকে ৫৫ টাকা কেজি। গত মাসে ছিল ৪৮ থেকে ৫৮ টাকা কেজি, জানুয়ারিতে ছিল ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা কেজি।

এ ছাড়া মাছ ও গরুর মাংস, আদা, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচসহ প্রায় সব ধরনের খাদ্যপণ্যই বিক্রি হচ্ছে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি দামে। দেশে এবার পেঁয়াজের ভালো ফলন হয়েছে। ফলে দাম খুব একটা বাড়েনি এখনো। তবে কম দামে কত দিন পেঁয়াজ খেতে পারবে ভোক্তারা, তার নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, ব্যাপারীরা এখন পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়তি চাইছেন। এ পেঁয়াজ বাজারে এলে খুচরায়ও দাম বাড়বে। সেটা সপ্তাহখানেকের মধ্যেই হতে পারে। গতকাল বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। এটা কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বাড়তে পারে বলে তাঁরা ইঙ্গিত দিয়েছেন। এ ছাড়া আদার দাম মাঝখানে কিছুটা কমলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে। চায়না আদা ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সপ্তাহ দুয়েক আগে। এখন কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেশি চাইছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

বাজারে সবজির দাম এখন গড়ে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। গেল মাসে তা ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে ছিল। গেল জানুয়ারিতে অবশ্য শীত মৌসুমের সবজি ছিল বাজারে, তাই দামও ছিল কম। ওই সময় ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে সবজি পাওয়া যেত। কাঁচা মরিচের দাম মাসখানেক আগে ডাবল সেঞ্চুরিতে বিক্রি হয়েছিল। এরপর উপায় না দেখে সরকার কাঁচা মরিচও আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। এতে দাম কমেছে ঠিকই, কিন্তু এখনো তা ১০০ টাকার ওপরেই রয়েছে।

কারওয়ান বাজারের আড়তদার মো. ইমরান মাস্টার বলেন, বর্ষা শেষে অনেক এলাকায় সবজির আবাদ হয়েছে। সেসব সবজি উঠতে যে সময় লাগবে, সে পর্যন্ত দাম কিছুটা বেশিই থাকবে।

রোকেয়ারা ভালো নেই : রোকেয়া বেগমের স্বামী মারা গেছেন অনেক আগেই। সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দিয়েই চলে তাঁর সংসারের চাকা। গতকাল রাজধানীর মালিবাগ বাজারে যখন তাঁর সঙ্গে কথা হয়, তখন কপালে চিন্তার রেখা স্পষ্ট। এই দুশ্চিন্তা বাজারের নিত্যপণ্যের দামের বিপরীতে আয় পিছটানের। তিনি বলেন, করোনার পর থেকে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। এর পরও কোনো রকমে টেনেটুনে চলছিলাম। এখন তো ব্যয়ের বিপরীতে আয় আরো কমেছে। এখন আরো হিসাবি হতে হবে। কম খেতে হবে, চাইলেই প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যাবে না।

রোকেয়া বেগমের চেয়ে আরো বেশি ‘কষ্টপাথর’ বেসরকারি চাকরিজীবী জুবায়ের আউয়ালের হৃদয়জুড়ে। ছেলেমেয়ে নিয়ে চারজনের সংসার চলে তাঁর একলার রোজগারে। করোনার এই সময়টাতে আয় বাড়েনি, উল্টো অফিসের বেতন পড়েছে বকেয়া। তিনি বলেন, ‘স্কুল খুলেছে, সন্তানদের পেছনে এখন বাড়তি খরচ লাগছে। এর ওপর চাল, ডাল, তেল, চিনি, সবজিসহ এমন কোনো পণ্য নেই, যেটির দাম বাড়েনি। এই লম্ফ এক-দুই টাকা নয়, কেজিপ্রতি ১০-১৫ টাকার বেশি। ফলে মাস শেষে সংসারের টানাটানি লেগেই আছে। সংসারের টানাটানির বৃত্ত থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না শুধু বাজার খরচ বাড়তে থাকায়।

বাজার তদারকিতে ঢিলেমি : সাম্প্রতিক সময়গুলোতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যে বাজার অভিযান চালিয়েছে, তাতে মূলত পণ্যের গায়ে দর না থাকা, পরিবেশ ভালো না হওয়া, গায়ের দরের চেয়ে দাম বেশি রাখার অভিযোগ নিষ্পত্তি করার বিষয়গুলো তদারকি করেছে। কিন্তু পণ্য যৌক্তিক দামে বিক্রি হচ্ছে কি না, না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে কি না ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তদারকি একেবারেই করা হয় না।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এসব বিষয় তদারক না করলে বাজারে যে যেমন পারে দাম রাখবে। তাই এই খাতে মনোযোগ দিতে হবে।

কে কী বলছেন : জানতে চাইলে কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, যেসব পণ্য দেশে উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমানো যায়, সেগুলোর দেশেই উৎপাদন বাড়াতে হবে। যেমন—চিনি, আটা, ময়দা ইত্যাদি পণ্য দেশেই উৎপাদন বাড়ানো যায়। তবে এর চেয়ে বড় বিষয় হলো, আমদানিকারক, পাইকার ও খুচরা বিক্রেতা—এই তিন পর্যায়ে পণ্য যৌক্তিক দামে বিক্রি হচ্ছে কি না তা কঠোরভাবে তদারক করতে হবে। বাজার গবেষণার মাধ্যমে পণ্যের যৌক্তিক দাম ধরে রাখতে হবে। এসব বিষয়ে সরকারে নজর এখনো খুব কম।

এদিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমাদের অভিযানগুলো থাকে মূলত বাজারভিত্তিক। আমরা নির্দিষ্ট বাজারে গিয়ে পণ্য বিক্রিতে ভোক্তার স্বার্থপরিপন্থী কোনো অনিয়ম পেলে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। তবে পণ্যের দাম কত হবে, এটা যৌক্তিক কি না তা দেখা আমাদের কাজের মধ্যে পড়ে না।

বাজারের সার্বিক বিষয়ে জানতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।



সাতদিনের সেরা