kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৫ কার্তিক ১৪২৮। ২১ অক্টোবর ২০২১। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ই-কমার্সের নামে লুটপাটের প্রতিবাদ এবি যুব পার্টির

অনলাইন ডেস্ক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৬:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ই-কমার্সের নামে লুটপাটের প্রতিবাদ এবি যুব পার্টির

আমার বাংলাদেশ যুব পার্টির (এবি যুব পার্টি) উদ্যোগে শেয়ারবাজার, ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ডেসটিনি, যুবক, এহসান গ্রুপের মতো বিভিন্ন ভুঁইফোড় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা লুটপাটের প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচি আজ বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। এবি যুব পার্টির সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য এ বি এম খালিদ হাসানের সভাপতিত্বে ও যুবনেতা ইলিয়াস হোসাইনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব জননেতা বি এম নাজমুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পার্টির সহকারী সদস্যসচিব আমিনুল ইসলাম এফসিএ, আনোয়ার সাদাত টুটুল ও শাহ আব্দুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বি এম নাজমুল হক বলেন, আমরা মনে করি ইভ্যালি বা এহসান গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠান এমনি এমনিই লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করতে পারেনি। রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে দেশের মানুষের ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে তারা এই লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছে। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, অতি দ্রুত সব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিকদের ক্ষতি পূরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আমিনুল ইসলাম এফসিএ বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদান করা; কিন্তু আজ রাষ্ট্র লুটেরাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। বিগত ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের শেয়ারবাজার লুটপাট, ডেসটিনি, ই-ভ্যালিসহ বিভিন্ন ই-কমার্স কম্পানির নামে লুটপাট ও ধর্মকে পুঁজি করে এহসান গ্রুপের লুটপাট- সবই একটি দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতির প্রতিচ্ছবি। আমরা এবি পার্টি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতিকে সামনে এনেছি। এবি যুব পার্টি আজ যে উদ্যোগ নিয়েছে, এটি আমাদের পার্টির একটি চলমান আন্দোলন। দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় সর্বদাই আমরা মাঠে সচেষ্ট থাকব ইনশাআল্লাহ।

আনোয়ার সাদাত টুটুল বলেন, আজকের এই লুটপাট নতুন নয়, '৯৬-তে শেয়ারবাজার লুট, ২০০৯-১০-এ আবার শেয়ারবাজার লুট, আইসিএল, আরডিপিসহ বিভিন্ন মাল্টিপারপাস তৈরি করে বিগত জোট সরকারের আমলের লুট আজ ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জের মাধ্যমে আধুনিকায়ন হয়েছে; কখনো এই লুটেরাদের বিচার হয়নি। আমরা এবি পার্টির পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে সবাইকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একটি অর্থকমিশন গঠন করে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের তালিকা তৈরি করে তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা শাহ আব্দুর রহমান বলেন, এবি যুব পার্টি আজ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আগামী দিনে এবি পার্টি সব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সামনের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দেবে ইনশাআল্লাহ।

সভাপতির বক্তব্যে এ বি এম খালিদ হাসান বলেন, আমরা সরকারের কাছে দাবি করছি, অবিলম্বে সব ভুঁইফোড় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হবে, দায়ীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে ও ক্ষতিগ্রস্ত সব নাগরিককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আমরা মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই আন্দোলন চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ। এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি সমাপ্ত ঘোষণা করেন। কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক ও সহকারী সদস্যসচিব আলতাফ হোসাইন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গাজী নাসির, গাজী সাবের আহমেদ, আমিরুল ইসলাম নুর, জাহাঙ্গীর আলম, যুবনেতা মেহেদী হাসান, গাজীপুর জেলা যুব পার্টির আহ্বায়ক মাসুদ জমাদ্দার রানাসহ এবি পার্টি ও যুব পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা।



সাতদিনের সেরা