kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দেশীয় জামদানি নিয়ে কাজ করছেন মারজিয়া

অনলাইন ডেস্ক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৯:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশীয় জামদানি নিয়ে কাজ করছেন মারজিয়া

করোনাভাইরাস মহামারিতে ঘরে বসে থাকার এই সময়টাতে অনেকেই ঝুঁকেছেন অনলাইনভিত্তিক তথা ই-কমার্স ব্যবসায়। তেমনি একজন নারী উদ্যোক্তা মারজিয়া জলিল। পেশায় একজন আইনজীবী হলেও গড়ে তুলেছেন ঢাকাই জামদানি শাড়ি নিয়ে ই-কমার্স সাইট।

মারজিয়া জলিলের ই-কমার্স সাইটটির নাম দ্য হ্যাঙ্গার সিউ ইন স্টাইল। ফেসবুকে তা দ্য হ্যাঙ্গার সিউ ইন স্টাইল নামে পরিচিত। নারায়ণগঞ্জের মেয়ে মারজিয়া সবগুলো শাড়িই সেখানকার সূদক্ষ তাঁতীদের দিয়ে আদি ও আধুনিকতার মিশেলে মূল্যবান রেশম সূতা দিয়ে বুনন করে ক্রেতাদের হাতে পৌঁছান।

নিজের উদ্যোগ সম্পর্কে মারজিয়া জানান, দেশীয় ঐতিহ্য জামদানির প্রতি ভালোবাসা থেকেই তিনি ই-কমার্স সাইটটি (দ্য হ্যাঙ্গার সিউ ইন স্টাইল) চালু করেছেন। তার ভাষায়, দেশের পাশাপাশি রেশমি জামদানিকে বহিঃবিশ্বে তুলে ধরতে শাড়ি নিয়ে কাজ শুরু করেছি। পেজটিতে ওজনে কম সকল ধরনের এক্সক্লুসিভ জামদানি শাড়ি পাওয়া যায়। এছাড়াও মসলিনের প্রথম ধাপের সূতা দিয়ে বুনন করা ফুল সিল্ক জামদানি শাড়ি, ৬০/৮০/৮৪ কাউন্টের রেশমি জামদানি, হাফ-সিল্ক, কটন এবং ফুলসিল্ক ঢাকাই রেশমি জামদানি পাওয়া যায়। একই কালেকশনের টু-পিচ এবং পাঞ্জাবিও পাওয়া যায়।

মারজিয়া জলিল জানান, জামদানি মূলত আভিজাত্যপূর্ণ একটি পোশাক। তাঁতীদের নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা, রুচিবোধ ও কল্পনার মিশেলে একটি শাড়ি তৈরি করতে ১৫ দিন থেকে আট মাস সময় লাগে। বর্তমানে হাতে বোনা শাড়ির পাশাপাশি কলে বোনা জামদানিও পাওয়া যায়। আমি মূলত তাঁতি যত্নে বোনা জামদানি তুলে দিচ্ছি ফ্যাশন সচেতন নারীদের হাতে। এখন পর্যন্ত ক্রেতাদের রিভিউ খুব ভালো। আপাততো অনলাইনের মাধ্যমেই ক্রেতাদের হাতে নারীর অতি আদরের ভূষণ রেশমি শাড়ি তুলে দিচ্ছি। তবে খুব শীঘ্রই বনশ্রীতে আমাদের নতুন আউটলেট চালু হতে যাচ্ছে।



সাতদিনের সেরা