kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

'রাসেল-শামীমা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের লিডার'

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৯:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'রাসেল-শামীমা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের লিডার'

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেফতার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের লিডার। তারা অত্যন্ত ধুরন্ধর ও কৌশলী। আজ তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনে এসব কথা উল্লেখ করা হয়।

শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালতে তাদের হাজির করা হয়। এরপর গুলশান থানায় প্রতারণার অভিযোগে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক ওয়াহিদুল ইসলাম।

প্রতারণার অভিযোগে গুলশান থানায় এক গ্রাহকের করা মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা  (সিইও) মো. রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকা মহানগর আতিকুল ইসলামের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন দুপুর ২টায় রাসেল ও তার স্ত্রীকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। এসময় তাদের কারাগারের গারদে রাখা হয়। বেলা ৩ টায় তাদের আদালতে তোলা হয়।

রিমান্ড আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, ‘আসামিরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের লিডার এবং অত্যন্ত ধুরন্ধর ও কৌশলী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা একেক সময় একেক রকম কথাবার্তা বলেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর কৌশলে এড়িয়ে যান। আসামিরা তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা প্রতারকসহ ইভ্যালির পণ্য বিক্রয়ের নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এক গ্রাহকের ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা আত্মসাৎ করেন। প্রাথমিক তদন্তে প্রকাশ পায়, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে হাজার হাজার গ্রাহকের শত কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন। টাকা উদ্ধারসহ তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা আসামিদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে তাদের রিমান্ডে নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।’

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।



সাতদিনের সেরা