kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

পেট্রাপোল সমন্বিত চেকপোস্টে যাত্রী টার্মিনাল ভবন উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পেট্রাপোল সমন্বিত চেকপোস্টে যাত্রী টার্মিনাল ভবন উদ্বোধন

বাংলাদেশের সাথে ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সীমান্ত স্থাপনাসমূহের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে, আজ শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১) পেট্রাপোল সমন্বিত চেকপোস্টে একটি নতুন যাত্রী টার্মিনাল ভবন (১) উদ্বোধন করেছে ভারত।

ভবনটি যৌথভাবে উদ্বোধন করেন ভারতের পক্ষে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রী নিত্যানন্দ রায় এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রী নিশীথ প্রামাণিক। বাংলাদেশ সরকারের নৌ-পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রধান অতিথি ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রী বিক্রম দোরাইস্বামী। এছাড়াও, ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সভাপতি শ্রী আদিত্য মিশ্র এবং অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ স্থলবন্দর  কর্তৃপক্ষের সভাপতি মো. আলমগীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম স্থলবন্দর আইসিপি পেট্রাপোল বাংলাদেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর। এটি ভারতের নবম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক অভিবাসন বন্দর, যা বছরে প্রায় ২৩ লাখ যাত্রীকে সেবা প্রদান করে। ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্বারা নির্মিত, নতুন এক হাজার তিনশ পাঁচ বর্গমিটারের এই টার্মিনাল ভবনটিতে যে কোনও সময়ে ৫৫০ জন যাত্রীকে সেবা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ভবনটি যাত্রীদের চলাচল ঝামেলামুক্ত ও সহজতর করবে এবং একই ছাদের নিচে যাত্রীদের ইমিগ্রেশন, কাস্টম এবং সুরক্ষা সুবিধা দিয়ে সজ্জিত। ভবনে ৩২টি  ইমিগ্রেশন কাউন্টার, ৪টি কাস্টমস কাউন্টার এবং ৮টি সুরক্ষা সেবা কাউন্টারের পাশাপাশি অন্যান্য অংশীদারদের জন্য পর্যাপ্ত কার্যালয় রয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চাশ বছর উদযাপন করছে এ বছর। অতিথিরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে শক্তিশালী করার এবং প্রয়োজনীয় আধুনিক অবকাঠামো স্থাপনের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছেন যাতে মানুষে মানুষে যোগাযোগ আরও সহজ হয়।

ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ পেট্রাপোলে একটি অত্যাধুনিক যাত্রী টার্মিনাল ভবন (২) নির্মাণ করছে যাতে অর্ধ মিলিয়ন যাত্রীকে সেবা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল এবং ২০২২ সালের মধ্যে এটি শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি সাধারণ দ্বিতীয় কার্গো গেইটের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন।



সাতদিনের সেরা