kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রাজারবাগ দরবারের পীরের সম্পদের তদন্ত চেয়ে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ২০:৩৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজারবাগ দরবারের পীরের সম্পদের তদন্ত চেয়ে রিট

রাজারবাগ দরবার শরীফের পীর দিল্লুর রহমান এবং দরবার শরীফের সম্পদের তদন্ত করতে দুদকের প্রতি নির্দেশনা দিতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে ওই পীর ও তার অনুসারীদের করা মামলার তদন্ত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এছাড়া রিট আবেদনকারীদের নিরাপত্তা দিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

পীর ও তার অনুসারী চক্রের বিভিন্ন ফৌজদারী মামলার শিকার ৮ জন ভুক্তভোগীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন দাখিল করেছেন।

রিট আবেদনকারীরা হলেন-মো. আব্দুল কাদের, মাহবুবুর রহমান খোকন, ফজলুল করিম, জয়নাল আবেদিন, মো. আলা উদ্দিন, জিন্নাত আলী, আইয়ুবুর হাসান শামীম, নাজমা আক্তার ও নার্গিস আক্তার।

রিট আবেদনে কারা এবং কেন এসব মামলা করেছে তা চিহ্নিত করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত মহাপরিচালকের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (বিশেষ শাখা), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপরাধ তদন্ত বিভাগ), ঢাকার জেলা প্রশাসক, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) উপ-মহাপরিদর্শক, গোয়েন্দা শাখার যুগ্ম কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান, রাজারবাগ দরবার শরীফের পীর দিল্লুর রহমানসহ ২০ জনকে বিবাদি করা হয়েছে ।

রিট আবেদন করার পর সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবনে ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের ভোগান্তি এবং পীর ও তার অনুসারীদের মাধ্যমে হয়রানির বর্ননা তুলে ধরেন। এসময় তাদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে পীর দিল্লুর রহমানের অনুসারী চক্রের ‘অস্তিত্বহীন’ বাদীর মামলা চ্যালেঞ্জ করে গত ৭ জুন হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন ঢাকার শান্তিবাগ এলাকার বাসিন্দা একরামুল আহসান কাঞ্চন। হাইকোর্ট এসব ‘অস্তিত্বহীন’ মামলার বাদীকে খুঁজে বের করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেন। এরপর সিআইডি তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিল করে। সিআইডির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘একরামুল আহসান কাঞ্চনের বিরুদ্ধে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় সর্বমোট ৪৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাগুলো সম্পর্কে প্রকাশ্য ও গোপনে অনুসন্ধান করে জানা যায়, অধিকাংশ মামলার বাদী, সাক্ষী, ভুক্তভোগীরা কোনও না কোনোভাবে রাজারবাগ দরবার শরিফ এবং ওই দরবার শরিফের পীরের সঙ্গে সম্পৃক্ত।’ ওই রিপোর্ট পাবার পর আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করেন।



সাতদিনের সেরা