kalerkantho

রবিবার । ১৪ আগস্ট ২০২২ । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৫ মহররম ১৪৪৪

'টেকসই উন্নয়নে পোশাক শিল্পের বাইরেও সবুজ কারখানা প্রয়োজন'

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০১:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'টেকসই উন্নয়নে পোশাক শিল্পের বাইরেও সবুজ কারখানা প্রয়োজন'

তৈরি পোশাক শিল্পখাতে দেশে প্রায় দেড় শতাধিক সবুজ কারখানা রয়েছে। তবে টেকসই উন্নয়নে সবুজ কারখানা অন্যান্য খাতেও সম্প্রসারণ প্রয়োজন। এজন্য সবুজ আনয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ অবদান প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তা প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের এক্সক্লুসিভ ক্যান লিমিটেডের গ্রীন কারখানায় 'টেকসই ব্যবসায় উন্নয়নে সবুজ কারখানার ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। এতে উপস্থিত ছিলেন এক্সক্লুসিভ ক্যান ও কিউ পেইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসির। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা স্কুল  অব ইকোনোমিক্সের উদ‍্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের ফ‍্যাকাল্টি মোহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দৈনিক বণিক বার্তার উপ-নগর সম্পাদক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের ২০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে এক্সক্লুসিভ ক্যান ও কিউ পেইল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসির বলেন, টেকসই উন্নয়ন করতে গেলে সবুজ শিল্পায়ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ব্যাবসায়িক দিক দেখলেই হবে না। পরিবেশের কথাও ভাবতে হবে।

তিনি ব্যাকওয়ার্ড শিল্পে শুল্ক কমানোর বিষয়ে বলেন, যারা বিভিন্ন কম্পানিতে পণ্য সরবরাহ করেন। যা একসময় কর শূন্য শতাংশ ছিল তা এখন ৭ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে এই ব্যাকওয়ার্ড শিল্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কেননা, মূল কম্পানিগুলো এখন নিজেরাই সেসব পণ্য উৎপাদন করতে পারে।

সবুজ কারখানা কতটা প্রয়োজন তা তুলে ধরে ঢাকা স্কুল অফ ইকোনোমিকসের শিক্ষক আমানুল্লাহ আমান বলেন, দিন যত যাচ্ছে ততই বেঁচে থাকার জন্য পরিবেশ চ্যালেঞ্জিং হচ্ছে। যা আমাদের কারণেই হচ্ছে। তাই আমাদেরকেই আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, একজন উদ্যোক্তা শিল্পকারখানা করছেন। কিন্তু এটাতে মানুষ কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তা ভাবছেন না। যারা সেখানে কাজ করবেন তাদের কাজের সুন্দর পরিবেশের কথাও ভাবছেন না। অপরিকল্পিত শিল্পকারখানা গড়ে তোলার ফলে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে, যার ফলে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। যা মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাপনে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। জীবনকে করে তুলছে অতিষ্ট। তাই নিজেদের বাঁচাতে, পরিবেশকে বাঁচাতে সবুজ কারখানা করার আহ্বান জানান। সবুজ কারখানায় পরিবেশকে রক্ষা করতে পারে।

কর্মশালায় বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজনেস এডিটর মানিক মুনতাসির বলেন, সারা বিশ্বই সবুজায়ন বা সবুজ বিজনেসের দিকে ঝুকছে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এখানে প্রতিবন্ধকতা বেশি। ২০১১ সালে গ্রীন ব্যাংকিং নীতিমালা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে প্রায় সবগুলো ব্যাংক গ্রীন ব্যাংকিং উইনডো ওপেন করেছে। নিজেরাও নিজেদের শাখাগুলোকে সবুজায়ন করছে। ৫ শতাধিক শাখা সোলার বিদ্যুতের আওতায় এসেছে।



সাতদিনের সেরা