kalerkantho

সোমবার  । ১২ আশ্বিন ১৪২৮। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৯ সফর ১৪৪৩

'কভিড হিরো’ পুরস্কার পেলেন এ বি এম আব্দুল্লাহ

আতাউর রহমান কাবুল   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০১:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'কভিড হিরো’ পুরস্কার পেলেন এ বি এম আব্দুল্লাহ

করোনা সংক্রমণ রোধে জনগণের মাঝে ব্যাপক সচেতনতা তৈরিতে অনন্য অবদান রাখায় এবার ‘কভিড হিরো’ পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক, ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ। 

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে রোটারি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে তাঁকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
  
দুই হাজারের অধিক রোটারিয়ানের উপস্থিতিতে এই পুরস্কার হস্তান্তর করেন রোটারি ইন্টারন্যাশনাল রিজিওনাল পাবলিক ইমেজ কো-অর্ডিনেটর এস এম শওকত হোসাইন, রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮১ গভর্নর ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, সদ্যোবিদায়ী ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর রুবায়েত হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমরা দেখে আসছি, করোনা মহামারির শুরু থেকে দেশের খ্যাতিমান এই চিকিৎসক চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে মানুষকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন গঠনমূলক ও সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

দেশ-বিদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় করোনার লক্ষণ, উপসর্গ ও প্রতিরোধবিষয়ক তাঁর নানা দিকনির্দেশনা এই সংক্রমণ রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আয়োজিত সভা, সেমিনার, ওয়েবিনার, টক শোতে অংশগ্রহণ করছেন প্রতিনিয়ত। করোনা প্রতিরোধে গঠিত ন্যাশনাল টাস্কফোর্সের উপদেষ্টা হিসেবে দেশে এই চিকিৎসার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছেন।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ নিজে ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এই করোনা তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী এবং শাশুড়িকে কেড়ে নিয়েছে চিরজীবনের জন্য।

কভিড হিরো পুরস্কারপ্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, দেড় বছর ধরে চেষ্টা করেছি কভিড-১৯ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে যখন চীনে এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে তখন থেকেই এ বিষয়ে অধিক জ্ঞান অর্জনের চেষ্টা করেছি। করোনা নিয়ে প্রতিনিয়ত শিখে যাচ্ছি আর সেই জ্ঞানগুলোর মাধ্যমে চেষ্টা করছি জনসচেতনতা বাড়াতে।

তিনি আরো বলেন, আমাকে দেওয়া এই পুরস্কার সেসব চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য উৎসর্গ করছি, যারা করোনার চিকিৎসা দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এবং যারা এখনো জীবন বাজি রেখে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।



সাতদিনের সেরা