kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

মৌলভীবাজারের সমাজচ্যুত সেই তিন পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক    

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৫:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মৌলভীবাজারের সমাজচ্যুত সেই তিন পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ

গত ৯ মাস ধরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় সমাজচ্যুত তিন পরিবারকে রক্ষায় সমাজপতিদের প্রতিরোধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সমাজচ্যুত তিন পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে মৌলবীবাজারের ডিসি-এসপিকে বলা হয়েছে। 

ভুক্তভোগী তিন পরিবারের করা এক রিট আবেদনের ওপর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) এ আদেশ দেন।

রিট আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদালত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রুল জারি করেছেন। রুলে ভুক্তভোগী তিন পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে স্বত্ব মামলা (মামলা নম্বর ৯৭/২০২০ ইং) করায় সালিসকারীরা ও পঞ্চায়েত কমিটি ক্ষিপ্ত হয়ে ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কোরবানপুর গ্রামের তিনটি পরিবারকে সমাজচ্যুত করে। সমাজচ্যুত হওয়া তিন ভাই কাজল আহমদ, আকমল হোসেন ও শফিকুল ইসলাম পরিবার নিয়ে এখন দিশেহারা। তাঁদের স্থানীয় মসজিদে নামাজ আদায়সহ বিভিন্ন কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লোকজন আসে না, এমনকি গ্রামের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে দেওয়া না। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পরিচালনা করা যাচ্ছে না।

এ অবস্থায় পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি নজরুল মিয়া, সদস্য চেরাগ মিয়া, চুনু মিয়া, হান্নান মিয়া, কাদির মিয়ার নাম উল্লেখ করে সমাজচ্যুত করার কারণ জানতে চেয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ দেয় ভুক্তভোগী পরিবার। ওই নোটিশ পাঠানোয় ক্ষিপ্ত হয়ে সালিসকারীরা আরো পাঁচ বছরের জন্য চূড়ান্তভাবে সমাজচ্যুত করার সিদ্ধান্ত জানান। এমনকি সমাজচ্যুত হওয়া পরিবারের কেউ মারা গেলে বা অসুস্থ হলেও ওই বাড়িতে না যাওয়ার জন্য পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। 



সাতদিনের সেরা