kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৫ কার্তিক ১৪২৮। ২১ অক্টোবর ২০২১। ১৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ময়মনসিংহে মতবিনিময় ও যোগদান সভা

দুর্নীতি ও নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসে একই আচরণ আ. লীগ-বিএনপির : এবি পার্টি

অনলাইন ডেস্ক   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৭:১০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দুর্নীতি ও নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসে একই আচরণ আ. লীগ-বিএনপির : এবি পার্টি

এবি পার্টি ময়মনসিংহ বিভাগের উদ্যোগে আজ সকাল ১১টায় শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে মতবিনিময় ও যোগদানসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মো. আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন এবং সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানোয়ার হোসেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মন্জু, সহকারী সদস্যসচিব ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক, সহকারী সদস্যসচিব ও অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এফসিএ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার বলেন, সারা পৃথিবীতে সবাই যখন ঐক্য ও সংহতির কথা বলছে তখন আমরা বিতর্ক ও বিভেদে লিপ্ত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও বীর-উত্তম জিয়াকে নিয়ে বিতর্ক তুলে জাতির বিভেদকে উসকে দেওয়া হচ্ছে। মেজর জিয়া যুদ্ধ করেন নাই এটা অন্ধ লোকও বিশ্বাস করে না, অথচ সরকারি দলের নেতারা এসব অমূলক কথা বলে সংঘাত তৈরির উসকানি দিচ্ছেন, যা খুব দুঃখজনক।

মজিবুর রহমান মন্জু বলেন, আমাদের দেশের সর্বপর্যায়ের সমস্যা সমাধানে গবেষণাভিত্তিক সমাধানের পথ তৈরির জন্য এবি পার্টি নতুন রাজনীতির সূচনা করেছে। তিনি বলেন, নীতি ও মতাদর্শের বিরোধ থাকলেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় গিয়ে দুর্নীতি, দলীয়করণ, পরিবারতন্ত্র, বিরোধী মত নির্মূল ও নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের ক্ষেত্রে একই রকম কর্মকাণ্ডে  অবতীর্ণ হয়েছে। এবি পার্টি সব অনিয়ম-দুর্নীতি দূর করতে বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার- এই তিন অঙ্গীকার সবাই ভঙ্গ করেছে। এবি পার্টি সেই অঙ্গীকার পূরণে কাজ করবে। রাজনীতিতে প্রফেশনালিজম প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং এ জন্য এবি পার্টির কর্মীদের ক্রিটিসিজম ফেস করতে শিখতে হবে। তিনি দলের সব নেতাকর্মীকে একাগ্রচিত্তে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা কথা ও কাজের মিল ঘটিয়ে আমাদের প্রমিজ রাখার চেষ্টা করব ইন’শাআল্লাহ।

আমিনুল ইসলাম এফসিএ বলেন, রাষ্ট্র যদি বিভাজিত হয় তাহলে এর ব্যবস্থাপনা দুর্বল হয়ে পড়ে। একজন শিশু মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় যে খাবার খায় তার মাধ্যমে সে পরোক্ষভাবে ট্যাক্স দেওয়া শুরু করে জীবনের সর্বক্ষেত্রে এমনকি মৃত্যুর সময় কাফন বা তাকে দাহ করার জন্য যে ব্যয় তা-ও ট্যাক্সের আওতাভুক্ত। তিনি বলেন, প্রতি মুহূর্তে একজন নাগরিক ট্যাক্স দিচ্ছে; কিন্তু রাষ্ট্রের কাছে সে কোনো জবাবদিহিতা পাচ্ছে না। এবি পার্টি জনগণকে তার অধিকার ও রাষ্ট্রের কাছে জবাবদিহিতার বিষয়গুলোতে সচেতন করে তুলবে।

সভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, তাফহীমুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার লিবসন মিয়া ও নজরুল ইসলাম কাজল প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা