kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর

সাবেক সাংসদ আব্দুর রহিমের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৫:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাবেক সাংসদ আব্দুর রহিমের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী কাল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর, দিনাজপুরের সাবেক সংসদ সদস্য, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, মুজিবনগর সরকারের পশ্চিমাঞ্চল-১ এর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এম. আব্দুর রহিমের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ৪ সেপ্টেম্বর।

রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রাপ্ত(মরোণোত্তর) এই প্রবীণ রাজনীতিবীদ আইনজীবী আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য, সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও সমাজ সেবক ছিলেন।

এম. আব্দুর রহিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মরহুমের পরিবার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে দিনাজপুরে স্থানীয়ভাবে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মরহুমের কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল।

এম. আব্দুর রহিম হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও জাতীয় সংসদের হুইপ দিনাজপুর-৩(সদর) আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিমের পিতা। তার চার মেয়ের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক। তিনি ৯০ বছর বয়সে ২০১৬ সালে ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ১৯২৭ সালের ২১ নভেম্বর দিনাজপুর সদর উপজেলার শংকরপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৯ সালে এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পরের বছর দিনাজপুর জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে পেশা শুরু করেন তিনি। রাজশাহী কলেজের শহীদ মিনার নির্মাণে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। গণতন্ত্রের মানষপুত্র খ্যাত হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনী প্রচারাভিযানে অংশ নেন এম. আব্দুর রহিম। ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য আব্দুর রহিম আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৯১ সালে দিনাজপুর সদর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তাকে ২০১৮ সালে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’ (মরনোত্তর) প্রদান করা হয়।



সাতদিনের সেরা