kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

ছয় মাসেও মেলেনি কারাবন্দিদের টিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ আগস্ট, ২০২১ ১৮:১৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছয় মাসেও মেলেনি কারাবন্দিদের টিকা

দেশের ৬৮টি কারাগারে থাকা বন্দির সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়িয়ে। তাদের মধ্যে কয়েদির সংখ্যা ১৫ হাজারের মতো। বাকি প্রায় ৬৬ হাজার হাজতি। প্রাথমিকভাবে শুধু এই ১৫ হাজার কয়েদির জন্য করোনার টিকা চাওয়া হয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে। তারপর ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। কবে নাগাদ পাওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কেও সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা সূত্র জানায়, দেশের কারাগারগুলোতে থাকা কয়েদিদের জন্য করোনা টিকার ব্যবস্থা করতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে কারা অধিদপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। ওই সময়ই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সেই প্রস্তাব পাঠানো হয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু এরপর আর কোনো অগ্রগতি চোখে পড়ছে না। এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে ছয় মাস; কিন্তু টিকা মেলেনি।

আইজি প্রিজনস ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন গত রবিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা কয়েদিদের করোনার টিকা দেওয়ার জন্য আবেদন করেছি। যেটুকু খবর পাচ্ছি, বিষয়টি পজিটিভলি এগোচ্ছে। শিগগিরই হয়তো সব কারাবন্দিকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।’

গত রবিবার পর্যন্ত দেশের ৬৮টি কারাগারে ৮০ হাজার ২৫২ জন বন্দি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে হাজতি ৬৫ হাজার ৮২২ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ বন্দি ৬৩ হাজার ২৯২ জন এবং নারী দুই হাজার ৫৩০ জন। আর কয়েদি রয়েছেন ১৪ হাজার ৪৩০ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ১৩ হাজার ৮৯৪ জন এবং নারী ৫৩৬ জন।

হাজতিদের জন্য টিকার আবেদন করা হয়নি কেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে আইজি প্রিজনস বলেন, হাজতিদের মধ্যে অনেকেই জামিনে বেরিয়ে যান। আবার অনেক হাজতি গ্রেপ্তারের আগেই টিকা নিয়েছেন। এ কারণে হাজতিদের আগে কয়েদিদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সব বন্দির টিকার ব্যবস্থা করলে সে ক্ষেত্রে কয়েদি-হাজতি সবাইকেই টিকা দেওয়া হবে। প্রতিটি কারাগারের ভেতরেই টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

কারা সূত্র জানায়, দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই বন্দিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যন্ত্র দিয়ে নিয়মিত বন্দিদের দেহের তাপমাত্রা মাপা হয়। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ সুরক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করা হয়। বাইরে থেকে কোনো বন্দি কারাগারে এলে তাঁকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রেখে পরে ওয়ার্ডে পাঠানো হচ্ছে।



সাতদিনের সেরা