kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় বক্তারা

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিতে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের নীতিমালা জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ আগস্ট, ২০২১ ১৯:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিতে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের নীতিমালা জরুরি

নগরবাসীর নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাদের নীতিমালা জরুরি বলে মনে করেন বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, ঢাকা শহরে স্থায়ী বা অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রেতা বিভিন্ন গণপরিসরে তাদের পণ্য সাজিয়ে বসেন। তারা নগরবাসীর খাদ্য চাহিদা পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। বিশেষত নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রেতার ওপর নির্ভরশীল। শুধু তাই নয়, ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রয় একটি বিশাল জনসংখ্যার আয়ের উৎস। তদেরকে একটি ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসা প্রয়োজন।

সোমবার ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনাসভায় তারা এই মতামত ব্যক্ত করেন। ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের সিনিয়র প্রকল্প কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন ইউএনডিপি’র লাইভলিহুডস ইমপ্রুভমেন্ট অফ আরবান পুওর কমিউনিটিস (ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন) এর সোশিও-ইকোনমিক এন্ড নিউট্রিশন এক্সপার্ট জোহরা খানম, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক আদিল মোহাম্মদ খান, এলাইভ এন্ড থ্রাইভ এর সিনিয়র এডভাইজর ড. জেবা মাহমুদ, মমতা পল্লী উন্নয়ন সংস্থা (এমপিইউএস) এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ ইয়াকুব আলী, সিয়াম- এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাসুম বিল্লাহ প্রমূখ।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রকল্প কর্মকর্তা নাঈমা আকতার। তিনি বলেন, আমাদের একটি হকার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ খাবার বিক্রেতাদের লাইসেন্সিং, ডাটাবেস তৈরি, তদারকি, হকারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিরূপণ ইত্যাদি সম্ভব হবে। ভ্রামমাণ খাবার বিক্রেতাদের লাইসেন্স দেওয়া, নবায়ণ ইত্যাদির মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের একটি আয়ের বড় উৎস তৈরি করা সম্ভব। পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন ছাড়া যে সকল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে যেমন পুলিশ, শ্রম মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের মধ্যেও সমন্বয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সভায় বক্তারা বলেন, নগরবাসী বিশেষত যারা দরিদ্র তারা অনেকেই ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের ওপর তাদের খাদ্য চাহিদা পূরণের জন্য নির্ভরশীল। ভ্রাম্যমাণ খাদ্য বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে নগরবাসীর জন্য নিরাপদ খাদ্য যোগান নিশ্চিত করা সম্ভব।



সাতদিনের সেরা