kalerkantho

শনিবার । ৩১ আশ্বিন ১৪২৮। ১৬ অক্টোবর ২০২১। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বিশেষজ্ঞ মত

উপসর্গ বোঝাতে পারে না বলেই ডেঙ্গুতে শিশুদের ঝুঁকি বেশি

অধ্যাপক ডা. সাকিল আহমদ, অধ্যাপক, শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল   

২৩ আগস্ট, ২০২১ ০৪:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপসর্গ বোঝাতে পারে না বলেই ডেঙ্গুতে শিশুদের ঝুঁকি বেশি

ডেঙ্গুতে ছোটদের চেয়ে বড়রা বেশি আক্রান্ত হলেও ছোটদের ঝুঁকি তুলনামূলক কিছুটা বেশি। কারণ একেবারে ছোট শিশুরা তাদের উপসর্গ বলতে বা বোঝাতে পারে না। ফলে অভিভাবকদেরও বুঝতে বুঝতে দেরি হয়ে যায়। ততক্ষণে হয়তো শিশুটি বিপজ্জনক পর্যায়ে চলে যায়। হয়তো জ্বরটুকু অভিভাবকরা সহজে ধরতে পারেন, কিন্তু গায়ে ব্যথা আছে কি না, সেটা বেশি ছোট শিশুদের পক্ষে বলা সম্ভব না। আবার ডেঙ্গুর শকে যাওয়ার অন্যতম লক্ষণ হচ্ছে মাথা ঘুরানো। ছোট শিশুরা তো সেটা বোঝাতে পারে না। ফলে অভিভাবকরাও তা ধরতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে ডায়াগনসিসই মুখ্য হয়ে ওঠে। এখন জ্বর হলেই দুটি টেস্ট করতেই হবে। একটি ডেঙ্গু আরেকটি করোনা। এর পর অন্য কারণ খুঁজতে হবে। এ ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব বর্তায় চিকিৎসক ও ল্যাবরেটরির। শিশুর পালস ভলিউম-ক্যারেক্টার, ব্লাড প্রেসার বেসিক বিষয়।

অন্যদিকে অভিভাবকদের দায়িত্ব হচ্ছে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা থেকে শিশুদের রক্ষা করা। বিশেষ করে শিশুদের ফুলহাতার ড্রেস পরানো, মশা থাকতে পারে এমন জায়গায় বসিয়ে বা শুইয়ে না রাখা। বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টি মসকিটো ক্রিম বা লোশন জাতীয় নিরাপদ কিছু ব্যবহার করা যেতে পারে। সন্ধ্যায় ঘুম না পাড়ানো, ঘুমের সময় মশারি ব্যবহার করা জরুরি। তারও আগে মশার উৎস যাতে ঘরে না থাকে, সেদিকে নজর দেওয়া খুবই জরুরি। একই সঙ্গে করোনাভাইরাসও যাতে শিশুকে আক্রান্ত করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।



সাতদিনের সেরা