kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা

বঙ্গবন্ধুর মানবাধিকার দর্শনকে আমাদের ধারণ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ আগস্ট, ২০২১ ১৮:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বঙ্গবন্ধুর মানবাধিকার দর্শনকে আমাদের ধারণ করতে হবে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত শোকসভায় বক্তারা বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানবাধিকার রক্ষা ও সমুন্নত করার লক্ষ্যে আমাদের সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এই মানবাধিকার দর্শনকে আমাদের ধারণ করতে হবে।

রবিবার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগমের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত সভায় কমিশনের সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, জেসমিন আরা বেগম, মিজানুর রহমান খান, চিংকিউ রোয়াজা, কমিশনের থিমেটিক কমিটির সদস্য প্রকৃতি ও জীবন ফাউণ্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, ব্লাস্টের পরিচালক ও আইন উপদেষ্টা রেজাউল করিম, সিএসআইডির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জিয়াঊর রহমান, ডব্লিউডিডিএফ এর নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন্নাহার মিষ্টি, ইউএনডিপি’র হিউম্যান রাইটস ফোরামের জেন্ডার এক্সপার্ট বিথিকা হাসান, ডিআরআরএ প্রতিনিধি ফরিদা ইয়াসমিন, জাতীয় কন্যা শিশু এডভোকেসি ফোরামের সাধারন সম্পাদক নাসিমা আক্তার জলি প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভায় কমিশনের সচিব নারায়ণ চন্দ্র সরকারসহ অপরাপর কর্মকর্তা/কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।

কমিশন চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম বলেন, আমাদের জাতির পিতা বাঙ্গালিদের অনেক বেশি ভালোবাসতেন। বাঙ্গালির ভালোবাসাই ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি বাঙ্গালিদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে কখনো মাথানত করেননি। তিনি বলেন, আজকে জাতি হিসেবে আমাদের ক্ষমা চাওয়ার দিন। বঙ্গবন্ধু মানবাধিকার রক্ষা ও সমুন্নত করার লক্ষ্যে আমাদের সংবিধান প্রণয়ন করেছিলেন। তিনি শিশুদের এতটাই ভালোবাসতেন যে জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ প্রণয়নের ১৫ বছর আগেই তিনি বাংলাদেশে শিশু অধিকার আইন প্রণয়ন করেন। তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ আরো অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতো।

কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ছিল মানবাধিকারের সংগ্রাম। বঙ্গবন্ধু সবসময় মানুষের মনে জাগ্রত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কাছে না থাকলেও সবাইকে শক্তি যোগাতেন। দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. জিয়াঊর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ধারণ করেছেন সমাজতন্ত্রকে, একইসাথে তিনি ধারণ করেছেন গণতন্ত্রকে। গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রকে তিনি একইসাথে ধারণ করতে চেয়েছেন।



সাতদিনের সেরা