kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

আইনমন্ত্রী বললেন

‘কমিশনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কুশিলব ও ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা হবে’

অনলাইন ডেস্ক   

১৫ আগস্ট, ২০২১ ১৭:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘কমিশনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কুশিলব ও ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা হবে’

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কুশিলবদের চিহ্নিত করতে যে কমিশন গঠিন করা হবে তা অবশ্যই নিরপেক্ষ হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি জানান, দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এই কমিশন গঠন করা হবে। কমিশনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের কুশিলব ও নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা হবে। জিয়াউর রহমানসহ সকলের পরিচয়, সকলের ন্যাক্কারজনক কাজ সাক্ষ্যপ্রমাণসহ জনসম্মুখে উপস্থাপন করা হবে।

আজ রবিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার তেজগাঁও রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে ‘বঙ্গবন্ধু গ্যালারি’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, দীর্ঘদিন ইনডেমনিটি নামক কালো আইন দ্বারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই কালো আইন বাতিলের মাধ্যমে তাঁর পিতা-মাতাসহ আপনজনদের হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন করেছেন।এই হত্যাকাণ্ডের বিচারে দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ খুনি বিদেশে পালিয়ে আছেন। তাদের ফিরিয়ে এনে আদালতের রায় কার্যকর করার সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আইনমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, পলাতক পাঁচ খুনির ফাঁসির রায় কার্যকর না করা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের জনগণ ক্ষ্যান্ত হবে না। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন নিরহংকার, সাদামাটা মানুষ।তিনি অনেক বড় মাপের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও সাধারণ জীবনযাপন করতেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মতো আমাদেরকে চলতে হবে। তাঁর আদর্শ ধারণ করতে হবে।ব্যক্তি শেখ মুজিব কি জিনিস ছিলেন সেটাও ধারণ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শদীদুল আলম ঝিনুক, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম-সচিব বিকাশ কুমার সাহা, সলিসিটর রুনা নাহিদ সহ নিবন্ধন অধিদপ্তরের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তৃতাদানের আগে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিবন্ধন অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপন করেন।



সাতদিনের সেরা