kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

ভারতের যুব নেতাদের চোখে বঙ্গবন্ধু

তিনি শুধু বঙ্গের নন, ভারতেরও বন্ধু

অনলাইন ডেস্ক   

১৩ আগস্ট, ২০২১ ০১:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তিনি শুধু বঙ্গের নন, ভারতেরও বন্ধু

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হলে এই উপমহাদেশে রাজনীতির ইতিহাস ভিন্নভাবে লেখা হতো বলে মনে করেন ভারতের যুব নেতারা। গত বুধবার রাতে এক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যুব নেতারা বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান কেবল বঙ্গের বন্ধু নন, তিনি ভারতেরও বন্ধু। এই উপমহাদেশের অনেক রাজনৈতিক নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করেন।

বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কেন্দ্র (সিবিআইআর) এই আলোচনাসভা আয়োজন করে। সিবিআইআরের পরিচালক ও সাংবাদিক শাহিদুল হাসান খোকনের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের যুব নেতারা। ‘ভারতের তরুণ রাজনীতিকদের চোখে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এই ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সিবিআইআরের গবেষক আশরাফুল ইসলাম।

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির যুব মোর্চার সাবেক জাতীয় সম্পাদক ও বর্তমান মুখপাত্র সৌরভ শিকদার বলেন, ‘দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ও নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই স্বতঃস্ফূর্ত জননেতা হতে পেরেছিলেন এবং সর্বসাধারণ একাগ্রচিত্তে তাঁকে নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন।’

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ যুব কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক শ্রেয়া হালদার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর যে চিন্তা-ভাবনা ছিল, সেগুলো আমাদের বর্তমান প্রজন্মকে লালন ও অনুসরণ করা উচিত। কেননা সেই চিন্তা-ভাবনাই আমাদের মধ্যে সামাজিক সহাবস্থান, সামাজিক সংগতি ও সামাজিক একতাবোধকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করে। বাংলাদেশের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর নাম একেবারেই পরিপূরক।’

তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত পেশাজীবী যুব নেতা বিজন সরকার বলেন, ‘একটা তর্জনী উঠিয়ে বাঙালি জাতিকে যিনি জাগ্রত করেছিলেন, বাঙালি জাতিকে নিয়ে যিনি বিশ্বের দরবারে ইতিহাসের পাতায় স্থান দিয়েছেন, লাখ লাখ মানুষ যাঁর ডাকে সাড়া দিতেন, তিনি সবার প্রিয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৪৭ সালে কাঁটাতারের বেড়া ভারতের সঙ্গে তৎকালীন পাকিস্তান অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশকে বিভেদ করেছিল। শুধু একটা কাঁটাতার ভারত আর আজকের বাংলাদেশের ভৌগোলিক ভাগ হতে পারে; কিন্তু আমরা বিশ্ববাংলায় একাত্মবোধ অনুভব করি বাংলাদেশের সঙ্গে।’

ভারতের তফসিল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছে। এটি গোটা পৃথিবীতে বাঙালি জাতি হিসেবে আমাদের গর্বের বিষয়। ভারতবর্ষের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সাংবিধানিক কাঠামো এবং সেখানকার যে নীতিমালা, তার সঙ্গে অনেকাংশে মিল আছে।’

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরা থেকে ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে রাজ্য বিজেপির যুব নেতা চন্দন দেবনাথ বলেন, ‘যদিও বঙ্গবন্ধুর নামের আগে বঙ্গ কথাটি যুক্ত, তবু তিনি শুধু বাংলাদেশের নন, ভারতেরও বন্ধু। দুই দেশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আরো বেশি চর্চা হওয়া উচিত।’



সাতদিনের সেরা