kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

বিধি-নিষেধ বাড়বে কি না সিদ্ধান্ত নিতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক চলছে

অনলাইন ডেস্ক   

৩ আগস্ট, ২০২১ ১৩:০২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিধি-নিষেধ বাড়বে কি না সিদ্ধান্ত নিতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক চলছে

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আরেক দফা চলমান বিধি-নিষেধ বাড়ানো হবে কি-না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে বৈঠক চলছে। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন বৈঠক চলছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনলাইনে এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ শিথিল করা হবে বলে জানিয়েছে সরকারি সূত্র।

সভায় ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ১৬ জন সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ মহাপরিদর্শক বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইইডিসিআর পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের অংশ নেওয়ার কথা। এ সংক্রান্ত চিঠি সোমবার (২ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ঈদের সময় আট দিন বিরতি দিয়ে গত ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। তা শেষ হবে ৫ আগস্ট মধ্যরাতে। এরই মধ্যে গত ১ আগস্ট থেকে রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কঠোর বিধি-নিষেধ বাড়ানোর আভাস পাওয়া গেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েয়েছেন, চলমান বিধি-নিষেধ শেষে নতুন করে অন্তত সাত দিন যে বিধি-নিষেধ দেওয়া হবে তাতে সরকারি-বেসরকারি অফিস সীমিত পরিসরে খুলবে। আর গণপরিবহন সীমিত পরিসরে চালু করা হতে পারে। রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা চালু রাখা হবে।

ঈদ-পরবর্তী ১৪ দিনের এই কঠোর লকডাউনের পর সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকে এখন সবার নজর। সবার একটাই প্রশ্ন, ৫ আগস্টের পর কি কঠোর লকডাউন থাকছে, নাকি শিথিল করা হচ্ছে? এ নিয়ে সরকারও চিন্তায় রয়েছে।

সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে একেবারে লকডাউন তুলে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আবার বর্তমান পরিস্থিতিও বজায় রাখা কষ্টকর হবে। কারণ মানুষ অধৈর্য হয়ে পড়েছে। লকডাউন মানাতে মাঠে থাকা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা হাঁপিয়ে উঠছেন। সঙ্গে মানুষের জীবন-জীবিকার কথাও ভাবতে হচ্ছে সরকারকে। সব মিলিয়ে কিভাবে, কোন পর্যায়ের লকডাউন বা বিধি-নিষেধ থাকলে মন্দের ভালো পরিস্থিতি বজায় রাখা যায়, সেই চিন্তাই করছে সরকার। গতকাল সোমবার পর্যন্ত এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও আজকের বৈঠকে পর্যালোচনা করে সরকারপ্রধানের সম্মতি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।



সাতদিনের সেরা