kalerkantho

সোমবার । ৫ আশ্বিন ১৪২৮। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১২ সফর ১৪৪৩

ঢাকায় থাকা শ্রমিকদের নিয়ে কারখানা খুলতে চায় বিজিএমইএ

অনলাইন ডেস্ক   

২৯ জুলাই, ২০২১ ১৩:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকায় থাকা শ্রমিকদের নিয়ে কারখানা খুলতে চায় বিজিএমইএ

চলমান করোনা বিধিনিষেধের মধ্যে সব ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করে এ অনুরোধ জানান তারা।

বৈঠক শেষে বিজিএমইএ সভাপতি জানান, বৈঠকে সব ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। যেসব শ্রমিক ঢাকায় আছেন, তাদের নিয়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান চালানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিজেএমইএ। শ্রমিকদের ঢাকা ফিরতে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

তিনি জানান, সরকার শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমতি দিলেই শ্রমিকদের ঢাকায় ফিরতে বলা হবে।

বৈঠকের পর এ বিষয়ে কোনো ব্রিফ করেননি মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তবে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব বৈঠকে বিজিএমই নেতৃবৃন্দকে বলেছেন, এ সংক্রান্ত কোর কমিটি গত মঙ্গলবার একটি বৈঠক করেছেন। সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিফ করে জানিয়েছেন যে ৫ আগস্টের আগে শিল্প কারখানা খোলার অনুরোধ রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্যই বৈঠকে পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে; যা আগামী ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ আগস্ট পর্যন্ত  কঠোর বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে। তবে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের দাবি, এতে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছে।

এর আগে গত ১৩ জুলাই দুপুরে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত জারি করা প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে। যদিও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই পোশাক (গার্মেন্টস) কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা সরকারের বিভিন্ন মহলে দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

গার্মেন্টস কারখানা খোলা রাখার ব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছেও চিঠি দেন। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, পোশাক শিল্পের শ্রমিকেরা নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে কাজ করেন। দিনের অধিকাংশ সময় (মধ্যাহ্ন বিরতিসহ ১১ ঘণ্টা) কর্মক্ষেত্রে সুশৃঙ্খল ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে থাকেন তারা। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঈদের ছুটিসহ ১৮-২০ দিন কারখানা বন্ধ থাকলে গ্রীষ্ম, বড়দিন ও শীতের ক্রয়াদেশ হাতছাড়া হয়ে যাবে।



সাতদিনের সেরা