kalerkantho

শুক্রবার । ২ আশ্বিন ১৪২৮। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ৯ সফর ১৪৪৩

করোনায় ঝালকাঠির বিচারকের মৃত্যু

প্রধান বিচারপতি, আইনমন্ত্রী, আইন সচিব ও জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ জুলাই, ২০২১ ১৯:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রধান বিচারপতি, আইনমন্ত্রী, আইন সচিব ও জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. সানিয়া আক্তার। বুধবার সকাল ১০টায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ২৯ বছর।

একজন প্রতিভাবান বিচারকের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, আইন সচিব মো. গোলাম সারওয়ার এবং বিচারকদের সংগঠন জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ শওকত আলী ও মহাসচিব বিকাশ কুমার সাহা। পৃথক পৃথকভাবে দেওয়া শোকবার্তায় প্রধান বিচারপতি ও আইনমন্ত্রীসহ সংশ্লিস্টরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সানিয়া আক্তার নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াই হাজার উপজেলার হোগলাকান্দা গ্রামে ১৯৯২ সালের ১ আগস্ট  জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শিক্ষা জীবন সম্পন্ন করে দশম বিজেএস (বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস) পরীক্ষার মাধ্যমে ২০১৮ সালের ১ মার্চ বিচারক হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। সানিয়া আক্তারের স্বামী এএইচএম ইমরানুর রহমান ঝালকাঠিতেই সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত আছেন।

গত ১৪ জুলাই সানিয়া আক্তারের করোনা পরীক্ষার পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এনিয়ে করোনায় দুইজন বিচারকের মৃত্যু হলো। এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গতবছর ২৪ জুন মারা যান লালমনিরহাটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক(জেলা জজ) ফেরদৌস আহমেদ।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মো. সাইফুর রহমানের দেওয়া তথ্যানুযায়ী গত ১৮ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে ৩০৮ জন বিচারক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে দুইজনের মৃত্যু হলো। ২৫০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এখনও ৫৬ জন চিকিৎসাধীন।



সাতদিনের সেরা