kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৮। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২০ সফর ১৪৪৩

আগামীকাল কমরেড মণি সিংহের ১২০তম জন্মজয়ন্তী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জুলাই, ২০২১ ১৮:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আগামীকাল কমরেড মণি সিংহের ১২০তম জন্মজয়ন্তী

আগামীকাল (২৮ জুলাই) আজীবন সংগ্রামী ও ত্যাগী কমরেড মণি সিংহের ১২০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯০১ সালের এই দিনে ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামী, টঙ্ক আন্দোলনের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহ জন্মগ্রহণ করেন।

জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম। দিবসটি উপলক্ষে করোনা পরিস্থিতির কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।

রাজধানীর পোস্তগোলা শশ্মানঘাটে কমরেড মণি সিংহ স্মৃতিস্তম্ভে এবং পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করা হবে। এ ছাড়া নেত্রকোনার সুসং দূর্গাপুর টঙ্ক স্মৃতিসৌধে সংক্ষিপ্তাকারে কমরেড মণি সিংহের মেলা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন গণসংগঠন ৩ দিনব্যাপী কমরেড মণি সিংহের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনাসভা, গান, কবিতা পাঠ ও সাংস্কুতিক অনুষ্ঠানের কর্মসূচী নিয়েছে।

উল্লেখ্য, কলকাতার এক মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান মনি সিংহ বাবা কালি কুমার সিংহের মৃত্যুও পর মাত্র আড়াই বছর বয়সে ঢাকায় তার মামা ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সুরেন সিংহের বাড়িতে চলে আসেন। মণি সিংহের মা সরলা দেবী ছিলেন তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার সুসঙ্গ দুর্গাপুরের জমিদারদের বড় বোন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হবার পরে পূর্ণ গণতন্ত্র ও শোষণ মুক্ত সমাজের আদর্শকে যারা সামনে এনেছেন- মণি সিংহ তাদেরই একজন। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত পাটির দ্বিতীয় কংগ্রেসে মণি সিংহ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ৮৪ বছর বয়স পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে পার্টির দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯০ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। আমৃত্যু তিনি লড়ে গেছেন এদেশের খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষের জন্য। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র এবং সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তার অবদান অবিস্মরণীয়।



সাতদিনের সেরা