kalerkantho

সোমবার । ১১ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৬ জুলাই ২০২১। ১৫ জিলহজ ১৪৪২

সবিশেষ

‘সুগার ফ্রি’ আম!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ জুন, ২০২১ ০২:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘সুগার ফ্রি’ আম!

আম খেতে ভালোবাসে না এমন ব্যক্তি বোধ হয় নেই। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই এতে বাদ সাধে ডায়াবেটিস রোগ, যার ফলে আম খেতে পারে না তারা। আর এই ডায়াবেটিক রোগীদের মনের কষ্ট দূর করতে এগিয়ে এলেন পাকিস্তানের এক আম বিশেষজ্ঞ। তিনি উৎপাদন করেছেন চিনিমুক্ত বা সুগার ফ্রি আম। তাঁর নাম গুলাম সারওয়ার। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সুগার ফ্রি আমের সুগার লেভেল মাত্র ৪ থেকে ৬ শতাংশ। ফলে শঙ্কামুক্ত হয়েই আমের স্বাদ নিতে পারবে ডায়াবেটিক রোগীরা।

পাকিস্তানের বাজারে বিশেষ কয়েক ধরনের আম বিক্রি হচ্ছে। সেই সুগার ফ্রি আমগুলো হলো সোনারো, গ্লেন, কেইট ইত্যাদি। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের আল্লায়ারে এম এইচ পানহোয়ার নামে একটি বেসরকারি ফার্মে এই আমের চাষ করা হচ্ছে। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বৈজ্ঞানিকভাবে আম চাষের পদ্ধতিতে অদলবদল ঘটিয়ে এই মিষ্টিহীন আম তৈরি করেছেন গুলাম সারওয়ার।

গুলাম সারওয়ার জানিয়েছেন, আম ও কলা চাষে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য পাকিস্তান সরকার ওই ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা এম এইচ পানহোয়ারকে সিতারা-ই-ইমতিয়াজ সম্মানে ভূষিত করেছে। তাঁর মৃত্যুর পরে তিনি এই কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আরো জানান, সিন্ধি ও চওসাঁ প্রজাতির আমে শর্করার পরিমাণ থাকে ১২ থেকে ১৫ শতাংশ। এই পরিমাণ মিষ্টি একজন ডায়াবেটিক রোগীর পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। কিন্তু তাঁর বাগানে এমন কয়েকটি আম রয়েছে, যেখানে সুগার লেভেল মাত্র থাকে ৪ থেকে ৫ শতাংশ, যেগুলো নিশ্চিন্তেই খেতে পারবে ডায়াবেটিক রোগীরা। পাকিস্তানের বাজারে এ ধরনের আমের দাম ১৫০ টাকা প্রতি কেজি। দাম হাতের নাগালে থাকায় সবাই কমবেশি এই আম খেতে পারবে বলে জানান তিনি। আমের মিষ্টি নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল খোলাসা করেননি গুলাম। তবে তিনি জানিয়েছেন, লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য বছরের পর বছর পরিশ্রম করতে হয়েছে তাঁকে। মিষ্টিহীন আমের পাশাপাশি দীর্ঘদিন আমকে কিভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যায়, তা নিয়েও গবেষণা চালাচ্ছেন তিনি। সূত্র : আজকাল, আনন্দবাজার পত্রিকা।



সাতদিনের সেরা