kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

অধিকাংশ সরকারী প্রকল্পের সুবিধাভোগী দেশের প্রান্তিক জনগণ : স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জুন, ২০২১ ১৯:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অধিকাংশ সরকারী প্রকল্পের সুবিধাভোগী দেশের প্রান্তিক জনগণ : স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমগ্র বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের নেওয়া অধিকাংশ প্রকল্পের সুবিধাভোগী দেশের প্রান্তিক জনগন। পীরগঞ্জেও একই ধারায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার পীরগঞ্জ উপজেলার প্রজাপাড়া-পালপাড়ায় মৃৎশিল্প সমবায় সদস্যদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান, বাইশটি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, পৌরসভার ল্যান্ডফিলিং প্রকল্পের উদ্বোধন আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান রাঙা, পৌর মেয়র তাজিমুল ইসলাম শামীম প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে স্পিকার বলেন, পীরগঞ্জে প্রায় চল্লিশটির বেশি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একাডেমিক ভবন ও আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উন্নয়ন, শেখ কামাল আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টেক্সটাইল কলেজ স্থাপন, গৃহহীনদের ১০৫টি ঘর বিতরণ, দিনাজপুর ঘোরাঘাটের সঙ্গে সংযুক্তকারী ব্রীজ নির্মাণসহ পীরগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান। কিছুদিন পূর্বে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরের টিন মেরামতে টিন বরাদ্দ এসেছে। ভেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নে একটি মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসকল উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিরীন শারমিন বলেন, মৃৎশিল্পকে বাণিজ্যিকভাবে প্রসারিত করা দরকার, কারণ এই শিল্পের সঙ্গে আমাদের মা-বোনেরা সমন্বিতভাবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা উপকৃত হবেন। তিনি আরো বলেন, পীরগঞ্জের সাধারণ মানুষের চাহিদার উপর ভিত্তি করে বাইশটি পানি বিশুদ্ধকরণ আয়রন প্লান্ট সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে, যা পীরগঞ্জবাসীর সুপেয় পানির সংকট কাটিয়ে তুলবে। পীরগঞ্জ পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে ল্যান্ডফিলিং কার্যক্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

স্পিকার বলেন, পীরগঞ্জ পৌরবাসীদের বর্জ্য ব্যব্যস্থাপনা সম্পর্কে সচেতন করে তোলা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেললে তা দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি রোগ-জীবাণু ছড়ায়, যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তাই সকলে সচেতন হলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ সম্ভব। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সকলের জন্য জরুরি।



সাতদিনের সেরা