kalerkantho

শুক্রবার । ২২ শ্রাবণ ১৪২৮। ৬ আগস্ট ২০২১। ২৬ জিলহজ ১৪৪২

নাগরিক ও উন্নয়ন সংগঠনের মানববন্ধন

বৈশ্বিক কার্বন উদগীরণ শূন্যে নামাতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৪ জুন, ২০২১ ১৯:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈশ্বিক কার্বন উদগীরণ শূন্যে নামাতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় বৈশ্বিক কার্বন উদগীরণ শূন্যের কোঠায় নামাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন নাগরিক ও উন্নয়ন সংগঠনের নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তারা এই আহ্বান জানান। 

সেন্টার ফর পার্টিসিপেটরি রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট (সিপিআরডি), শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (এসডিএস), কোস্টাল ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (সিডিপি), কোস্ট ফাউন্ডেশন, ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা), কোস্টাল লাইভলিহুড এন্ড এনভায়রনমেন্টাল অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্লিন) এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এক্সটার্নাল ডেট (বিডব্লিউজিইডি) আয়োজিত মানবন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সিপিআরডি’র নির্বাহী প্রধান মো. শামছুদ্দোহা।

বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি কাউসার রহমান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, উন্নয়নধারা ট্রাষ্টের সদস্যসচিব আমিনুর রাসূল, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র, সিপিআরডি সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. আকিব জাবেদ প্রমূখ। মানব বন্ধনটি সঞ্চালনা করেন সিপিআরডি’র রিসার্চ এন্ড এডভোক্যাসি অ্যাসিস্ট্যান্ট আল ইমরান।

মানবন্ধনে সিপিআরডি’র নির্বাহী প্রধান মো. শামছুদ্দোহা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবেলা বর্তমানে সমগ্র বিশ্বের জন্য একটি অনস্বীকার্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক জলবায়ুর এ পরিবর্তনের মূল কারণ হিসেবে মানবজাতির অনিয়ন্ত্রিত উন্নয়ন কর্মকান্ডকে চিহ্নিত করেছেন। প্রাক-শিল্প বিপ্লব পর্যায় থেকে ইতোমধ্যেই পৃথিবীর গড় উষ্ণতা ১ দশমিক ১ ডিগ্রি সে. বেড়েছে। 

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় কয়লাসহ অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানির উৎপাদন, এগুলোতে বিনিয়োগ এবং এদের ব্যবহার বন্ধে সুস্পষ্ট ও দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে। এছাড়া ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিতকরণের জন্য ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন ভারসাম্যপূর্ণ করতে হবে।

সাংবাদিক কাউসার রহমান বলেন, বাংলাদেশকে সকল উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোকে একটি আমব্রেলা পরিকল্পনার অধীন করতে হবে। এক্ষেত্রে মুজিব প্রোসপারিটি প্ল্যানটিকেও একটি আমব্রেলা প্লান হিসাবে তৈরী করা যেতে পারে। জলবায়ুপরিবর্তন মোকাবেলায় একটি কার্যকর এনডিসি প্রণয়নে বিশ্ব সম্প্রদায়কে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

মিহির বিশ্বাস বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বৈশ্বিক উদ্যোগের পাশাপাশি আমাদের নিজেদেরকেও সচেতন হতে হবে। বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গুলো টেকসই এবং পরিবেশ বান্ধব হতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় এখনই একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা তৈরি করার আহ্বান জানান তিনি।



সাতদিনের সেরা