kalerkantho

বুধবার । ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৮ জুলাই ২০২১। ১৭ জিলহজ ১৪৪২

ভুয়া জামিননামা তৈরি, জড়িত এক আইনজীবীকে ধরিয়ে দিলেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ জুন, ২০২১ ২০:৩২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভুয়া জামিননামা তৈরি, জড়িত এক আইনজীবীকে ধরিয়ে দিলেন হাইকোর্ট

ভুয়া জামিনাদেশ তৈরির সঙ্গে যুক্ত ঢাকা জেলা আদালতের আইনজীবী রাজু আহমেদ রাজিবকে ধরিয়ে দিলেন হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিস্ট আদালতে দায়িত্বরত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারান্নুম রাবেয়া মিতি।

বগুড়া সদর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) ও কাউন্সিলর মো. আমিনুল ইসলামসহ ৩০ আসামির ক্ষেত্রে হাইকোর্টের ভুয়া জামিননামা তৈরি করে তা বগুড়া আদালতে দাখিলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাজুসহ চারজন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক হাইকোর্টে হাজির হলে আদালত জানতে চান, মামলার অন্যান্য আসামিরা এখনও গ্রেপ্তার হচ্ছে না কেন? জবাবে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আসামিদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের গ্রেপ্তারের চেস্টা চলছে।

এসময় আদালত বলেন, আসামিরা হাইকোর্টে এসে পক্ষভূক্ত হতে চায়। আর আপনি খুঁজে পাননা। এসময় আদালত অ্যাডভোকেট রাজুকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিলে তদন্ত কর্মকর্তা আইনজীবী রাজুকে গ্রেপ্তার করেন। আদালত আগামী ১২ জুলাই পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

হাইকোর্ট গত ৯ জুন এক আদেশে দুই আইনজীবীসহ সংশ্লিস্ট তিনজনকে দুই সপ্তাহের মধ্যে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। ঢাকা জেলা আদালতের আইনজীবী রাজু আহমেদ রাজিব ও বগুড়া আদালতে আইনজীবী তানজিম আল মিসবাহ। ভুয়া জামিননামা তৈরিকারক কম্পিউটার অপারেটর মো. মাসুদ রানাকে গ্রেপ্তার করতে বলা হয়। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার রাজুর সহকারি মো. সোহাগের ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জাবনবন্দীতে জালিয়াতির ঘটনায় ওই তিনজনের নাম উঠে আসে। এর আগে হাইকোর্টের জামিন জালিয়াতির ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল শাহবাগ থানায় মামলা করেন। এ মামলা তদন্ত করছে সিআইডি।

জানা যায়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়াতে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়। এরমধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনের ছোটভাই মশিউল আলম বাদী হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি বগুড়া থানায় মামলা করেন। এ মামলায় যুবলীগের সহসভাপতি মো. আমিনুল ইসলামসহ ৩০ জনের হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়ার একটি ভুয়া জামিননামা তৈরি করা হয়। বিষয়টি নজের আসার পর হাইকোর্ট গত ২৪ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। এ অবস্থায় ওই আসামিরা গত ৩ মার্চ ১৪ জন এবং ৪ মার্চ ১৬ জন বগুড়ার আদালতে আত্মসমর্পন করেন। ওই আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। এরপর তারা হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞে।চ জামিন আবেদন করলে গত ১১ মে ওই ৩০ জনকে জামিন দেন।



সাতদিনের সেরা