kalerkantho

সোমবার । ১১ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৬ জুলাই ২০২১। ১৫ জিলহজ ১৪৪২

সাড়ে ১৭ বছর আগে দেওয়া হাইকোর্টের রায় বহাল

স্ত্রী হত্যা মামলায় চূড়ান্ত বিচারে কিশোরগঞ্জের নজরুল খালাসই পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ জুন, ২০২১ ১৯:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্ত্রী হত্যা মামলায় চূড়ান্ত বিচারে কিশোরগঞ্জের নজরুল খালাসই পেলেন

স্ত্রী সালমা হত্যা মামলায় সাড়ে ১৭ বছর আগে হাইকোর্ট থেকে স্বামী কিশোরগঞ্জের নজরুল ইসলামের খালাস পাওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে মানসিক রোগী বিবেচনায় চূড়ান্ত বিচারে খালাসই পেলেন নজরুল ইসলাম।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বুধবার এ রায় দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না।

তেইশ বছর আগে ১৯৯৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি স্ত্রী সালমাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নজরুল ইসলাম। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দাবি রাষ্ট্রপক্ষের। এরপর ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দীতে নজরুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী সালমা আগেই ভাত খেতে বসায় রাগে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ মামলায় নিম্ন আদালতে বিচারকালে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীরা আদালতে তাদের দেওয়া সাক্ষ্যে জানান যে, নজরুল ইসলাম আগে থেকেই মানসিক রোগী ছিলেন। গ্রীষ্মকালেও ঘরের চালায় আগুন লাগিয়ে আগুন পোহাতো। এমনকি মাঝে মাঝে রাস্তায় অন্য মানুষদেরও দৌড়ানি দিতো। এমনকি গ্রেপ্তারের পর তাকে এজন্য ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে বিচার শেষে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত ২০০১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি নজরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় দেয়। এই রায় অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয়। হাইকোর্ট শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ২০ জানুয়ারি এক রায়ে তাকে খালাস দেন। মানসিক রোগী এই বিবেচনায় তাকে খালাস দেওয়া হয়। এরপর কারাগার থেকে মুক্তি পান নজরুল ইসলাম। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০০৮ সালে আপিল বিভাগে আপিল আবেদন দাখিল করে। এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালত মানসিক রোগী বিবেচনায় হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন।



সাতদিনের সেরা