kalerkantho

বুধবার । ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৮ জুলাই ২০২১। ১৭ জিলহজ ১৪৪২

টিকাপ্রাপ্তি নিয়ে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

শেকৃবি প্রতিনিধি   

২২ জুন, ২০২১ ১৬:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টিকাপ্রাপ্তি নিয়ে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে কভিড-১৯ টিকাপ্রাপ্তি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। টিকাপ্রাপ্তির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানে গত মার্চ মাসে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেন। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বরাবর আবেদন করলেও এরপর টিকাপ্রাপ্তির জন্য জোরালো কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা যায়নি। দ্রুত টিকাপ্রাপ্তির জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নেরও সন্তোষজনক উত্তর মেলেনি।

এদিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কভিড-১৯ টিকাপ্রাপ্তির খবর জানার পর শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপের অভাবে টিকা কর্মসূচি গতি পাচ্ছে না বলেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ রয়েছে।

উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা জানান, ইতিমধ্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টিকা গ্রহণ শুরু করেছে। এদিকে আমাদের টিকা কবে, আদৌ দেবে কি না এ বিষয়ে কিছুই বলছে না। আমরা অতি দ্রুত টিকা গ্রহণ করতে চাই। রাজধানীর ভেতরের বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার পরও কেন আমরা দেরিতে টিকা পাব- এমন প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের।

এ বিষয়ে শেকৃবির রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, টিকাপ্রাপ্তির জন্য আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে ৪ হাজার ৬৭৭ জন শিক্ষার্থীর তথ্য পাঠিয়েছি। তিনি আরো জানান, আমরা জানতে পেরেছি অনেক শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। আবার শিক্ষার্থীরা দেশের নানা প্রান্তে অবস্থান করছে। তারা কোথায় টিকা গ্রহণ করবে, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা কিভাবে টিকা নেবে এসব বিষয় ইউজিসির সিদ্ধান্ত পেলে বিস্তারিত জানাতে পারব। কথোপকথনে জানা যায়, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যে টিকা প্রদান শুরু করেছে, তারা কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে জানেন না রেজিস্ট্রার।

এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভুঁইয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা ইউজিসি ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। টিকাপ্রাপ্তির সঠিক তারিখ বলতে পারছি না। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকাপ্রাপ্তির বিষয় উল্লেখ করে শেকৃবিতে কেন টিকা পেতে দেরি হচ্ছে জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, এখন পর্যন্ত হয়তো তিন থেকে চারটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টিকা গ্রহণ শুরু করেছে। অন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ই বাকি। আমরাও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ধৈর্য ধরতে হবে। অবশ্যই সবাই টিকা পাবে। তবে টিকাপ্রাপ্তির জন্য সুনির্দিষ্ট কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।



সাতদিনের সেরা