kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

মশার ওষুধ চুরি করে বিক্রি, ঢাকা দক্ষিণের ৪ কর্মী হাতেনাতে ধরা

ক্রয়কারীর বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক   

২১ জুন, ২০২১ ২১:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মশার ওষুধ চুরি করে বিক্রি, ঢাকা দক্ষিণের ৪ কর্মী হাতেনাতে ধরা

ফাইল ফটো

মশা নিয়ন্ত্রণ কাজে ব্যবহৃত এডাল্টিসাইড ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে পৌঁছে না দিয়ে তা চুরি করে দোকানে বিক্রি করার দায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) দৈনিক মজুরীভিত্তিক চার মশক কর্মী হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। তাদের কর্মচ্যুত করা হয়েছে। এছাড়া চুরি করা সেসব কীটনাশক ক্রয় করা দোকান মালিকের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কর্মচ্যুত চারজন হলেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫ এর ৫০ নং ওয়ার্ডের দৈনিক মজুরিভিত্তিক মশক কর্মী উজ্জল সিদ্দিকী, সুজন মিয়া মোঃ হাফিজুল ইসলাম ও জুয়েল মিয়া।

করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে আজ তাদেরকে কর্মচ্যুত করা হয়।

জানা যায়, দক্ষিণ সিটির এ মাসের ৯ তারিখে অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় হতে সাপ্তাহিক মশক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ৭, ৪৫, ৪৬, ৫০, ৫২ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের মশক সুপারভাইজার/তার প্রতিনিধির নিকট ৬ ড্রাম কীটনাশক সরবরাহ করা হয়। প্রতিটি ড্রামের ধারণক্ষমতা ২০০ লিটার। নিয়মানুযায়ী সেসব কীটনাশক কাউন্সিলর দপ্তরে পৌঁছানোর কথা।

কিন্তু এডাল্টিসাইড সরবরাহের পর কাউন্সিলর কার্যালয়ে পৌঁছে না দিয়ে ৪৬, দক্ষিণ সায়েদাবাদের "মেসার্স ভাই ভাই এজেন্সী" নামে খুচরা জ্বালানী তেল বিক্রেতার দোকানে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ সময় জনসম্মুখে সেই দোকানের গোডাউন হতে ২০০ লিটারের দুটি ড্রাম, ৩০ লিটারের ৮টি ও  ২০ লিটারের ১টি গ্যালনসহ সর্বমোট ৬৬০ লিটার কীটনাশক জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে অঞ্চল-৫ (অ. দা.) এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিযুক্ত দোকান ও গোডাউন সিলগালা করেন। এছাড়া করপোরেশনের মশক সুপারভাইজার মো. মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে চুরি করা অবৈধ কীটনাশক ক্রয় করা দোকান মালিক আব্দুল মজিদ সিকদারের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।



সাতদিনের সেরা