kalerkantho

সোমবার । ১১ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৬ জুলাই ২০২১। ১৫ জিলহজ ১৪৪২

বাজেটে নিম্নস্তরের বিদেশি সিগারেটের দাম বাড়ানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জুন, ২০২১ ২০:২৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাজেটে নিম্নস্তরের বিদেশি সিগারেটের দাম বাড়ানোর দাবি

আসন্ন বাজেটে বিদেশি নিম্নস্তরের (৫ টাকা মূল্যের) সিগারেটের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে দেশীয় সিগারেট মালিক সমিতি। তারা বলছে দেশিয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি তামাক ব্যবসায়ীদের টিকে রাখার পাশাপাশি দেশের স্বার্থে আমদানিকৃত নিম্নস্তরের বিদেশি সিগারেটের দাম দেশি নিম্নস্তরের সিগারেটের থেকে কমপক্ষে এক টাকা বেশি রাখার কথা। এছাড়া সরকারের রাজস্ব বাড়াতে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী বর্তমান বাজারে নিম্নস্তরে বিক্রিত আন্তর্জাতিক সিগারেট উন্নীত করে নিম্নস্তরে শুধু দেশিয় কোম্পানিগুলোকে রাখা।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সন্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এসব দাবি তুলে ধরেন সমিতির সদস্য নাজমুন নাহার লাকি।

সংবাদ সন্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বহুজাতিক বিদেশি কোম্পানীরা দেশের বাজারে ধারাবাহিকভাবে তাদের নিম্নস্লাবের সিগারেটের লঞ্চ করে আগ্রাসী বিপনণ কর্মকান্ড চালিয়ে দেশীয়  সকল  কোম্পানীর  বাজার  দখল  করে  নিচ্ছে এতে করে একদিকে যেমন দেশের টাকা বাহিরে চলে যাচ্ছে অন্যদিকে দেশীয় সিগারেট কোম্পানিগুলো দিনকে দিন অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে বহুঘগুণে, বেকার হচ্ছে এ পেশার সাথে যুক্ত থাকা মানুষেরা বেকার হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ এই শিল্পে দেশীয় মালিকদের বিনিয়োগকৃত ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং এর সঙ্গে যুক্ত প্রায় দুই লাখ শ্রমিক। বিদেশী কোম্পানীগুলো তাদের অর্জিত মুনাফা বিদেশে নিয়ে যায় অন্যদিকে দেশীয় কোম্পানী তার লাভ দেশেই অন্যান্য কর্মসংস্থানমুখী শিল্প কারখানায়  বিনিয়োগ  করে। তাই আমরা চাই আসন্ন বাজেটে আমাদের দাবিগুলো মেনে নেয়া হউক। পাশাপাশি দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বাঁচানো হউক।’

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হক টোব্যাকোর সত্বাধিকারী সাংসদ পনির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ বর্তমানে দেশীয় সিগারেট শিল্প কোণঠাসা। আমাদের দেশের ২৫ টি কোম্পানীর মধ্যে মাত্র ৮ টি কোম্পানী টিকে আছে। তাদের অবস্থা বেশ করুণ, নাযুক। অপরদিকে বহুজাকিত কোম্পানীগুলো রমরমা ব্যবসা করছে ।নিম্নস্তরের সিগারেটের বাজারে এই কোম্পানীগুলোর হিসসা ৮৯ শতাংশ আর দেশীয় কোম্পানিগুলোর হিসসা মাত্র ১১ শতাংশ।’ তিনি আরো বলেন, ‘ সরকার যদি আমাদের দাবি-দাওয়াগুলো মেনে নেয় তাহলে আমরা আশা করছি ২০২১-২২ অর্থবছরে আমরা সরকারকে প্রায় ৮০হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দিতে পারবো। যা হবে চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি।

সংবাদ সন্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, এএলএম টোব্যাকোর এর পক্ষে   আজিজুল রহমান, ভরসা গ্রুপের পক্ষ থেকে কামরুজ্জামান ভরসা।



সাতদিনের সেরা