kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

সেই মেহজাবিন আরেকটি হত্যার মামলার আসামি

অনলাইন ডেস্ক   

২০ জুন, ২০২১ ১৭:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেই মেহজাবিন আরেকটি হত্যার মামলার আসামি

রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় মামলার আসামি মেহজাবিন মুন ২০১৬ সালের দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে একটি হত্যা মামলার আসামি। বর্তমানে তিনি ওই মামলায় জামিনে রয়েছেন। আজ রবিবার (২০ জুন) দুপুরে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর জানান, ২০১৬ সালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় মুন তার মা নিহত মৌসুমী ইসলাম ও আরেক খালার বিরুদ্ধে ওই সময় একটি হত্যা মামলা হয়। ওই মামলায় তারা জামিনে ছিলেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যে ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছিল, সেই ব্যক্তির সঙ্গে মুনের মায়ের পরিচয় ছিল। এই পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই সময়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে বলে ওসি জানান।

ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন, বাবা-মা ও বোনকে হত্যার অভিযোগে মেহেজাবিন ও তার স্বামী শফিকুলের নামে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক মেহেজাবিনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার অপর আসামি শফিকুল ইসলাম এখন মিটফোর্ড হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন। শনিবার সকালে খবর পেয়ে রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে বাবা-মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন- মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে অপর মেয়ে মেহজাবিন মুনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, মুন নিজেই এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন। মেহজাবিন মুনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৮ জুন) দিনগত রাতের কোনো এক সময় খাবারের সঙ্গে পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ান মুন। মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধে সবাইকে অচেতন করে বাবা-মা ও বোনের হাত-পা বাঁধা হয়। এরপর শ্বাসরোধ করে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করেন মুন।

শনিবার সকাল ৮টায় খুনি মেহজাবিন মুন নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খুনের বিষয়টি জানান। ফোনে তিনি পুলিশকে বলেন, আমি আমার বাবা, মা ও ছোট বোনকে খুন করেছি। আপনারা দ্রুত আসুন, আসতে দেরি করলে আমার স্বামী ও মেয়েকেও মেরে ফেলবো। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কদমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনটি মরদেহ উদ্ধারসহ মুনকে আটক করা হয়। একইসঙ্গে মুনের স্বামী ও সন্তানকে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।



সাতদিনের সেরা