kalerkantho

সোমবার । ১১ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৬ জুলাই ২০২১। ১৫ জিলহজ ১৪৪২

স্পিকার বললেন

‘কিশোরী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সচেতনতা বেড়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ জুন, ২০২১ ১৬:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘কিশোরী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সচেতনতা বেড়েছে’

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, একজন কন্যাশিশুর স্বাস্থ্যের যথাযথ সুরক্ষা ও পরিচর্যার জন্য বাল্যবিবাহ একটি প্রতিবন্ধকতা। এই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাতৃস্বাস্থ্য ও কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জেলা-উপজেলায় সচেতনতা ও পরামর্শমূলক সভার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পার্লামেন্টারিয়ানস অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএপিপিডি)। এসব সভার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে সচেতনতা বেড়েছে।

রবিবার এসপিসিপিডি প্রকল্পের আওতায় গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় আয়োজিত কভিডকালীন কিশোরী স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক পরামর্শসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও প্রকল্প পরিচালক এম এ কামাল বিল্লাহর সঞ্চালনায় এই ভার্চুয়াল সভায় বক্তৃতা করেন হুইপ মাহবুব আরা বেগম গিনি, সংসদ সদস্য আরমা দত্ত, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, শহীদুজ্জামান সরকার, মেহের আফরোজ, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ ও আবিদা আঞ্জুম মিতা, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. আশা টর্কেলসন, সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান প্রমুখ।

সভায় স্পিকার বলেন, বিএপিপিডি একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারে, যেখানে স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা সংযুক্ত থেকে তাদের মতবিনিময় করতে পারে। কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে স্থানীয় নেতাদের পরামর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা তাদের তৃণমূল পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিদ্যমান। ইউনিয়ন পর্যায়ে কিশোরী ও অভিভাবকদের সঙ্গে পরামর্শ করা গেলে বাল্যবিবাহ অনেকখানি প্রতিরোধ সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, মাতৃমৃত্যু হ্রাসকরণের জন্য বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ প্রয়োজন। দেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন রয়েছে। পরামর্শসভার মাধ্যমে অভিভাবকদের বাল্যবিবাহের বিজ্ঞানসম্মত ও যুক্তিসংগত কুফল সম্পর্কে সচেতন করা গেলে এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ সম্ভব হবে।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু কমিয়ে আনার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক পুরস্কৃত হয়েছি। নারীশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত কার্যক্রম অতুলনীয়। উপবৃত্তি ব্যবস্থা মেয়েদের বিদ্যালয়মুখী করেছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লকের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার সুফল গ্রামাঞ্চলে বিস্তৃত হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে হেলথলাইন ব্যবস্থা নারীদের সুফল বয়ে এনেছে। এ ধরনের প্রযুক্তিগত সহায়তাগুলোকে সবার সমন্বয়ে কাজে লাগাতে হবে।



সাতদিনের সেরা