kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

নিবন্ধন বাস্তবায়নসহ ১০ দাবি অটোরিকশা চালকদের

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ জুন, ২০২১ ১৪:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিবন্ধন বাস্তবায়নসহ ১০ দাবি অটোরিকশা চালকদের

ছবি: সংগৃহীত

অটোরিকশা কিনতে নামমাত্র সরল সুদে দীর্ঘমেয়াদি  ব্যাংক ঋণ, ঋণের ৫০ শতাংশ টাকা সরকার থেকে ভর্তুকি ও নিবন্ধন বাস্তবায়নসহ ১০ দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি অটোরিকশা চালক সংগ্রাম পরিষদ।

আজ শুক্রবার (১৮ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পরিষদ আয়োজিত সমাবেশ থেকে বিআরটিএ'র ২০০৭ সালের ঘোষণা অনুযায়ী অটোরিকশা চালকদের এসব দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। 

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের অন্য দাবিগুলো হলো ঢাকা মেট্রোতে অটোরিকশার প্রতিদিন জমা ৫০০ টাকা ও অন্য জেলার ক্ষেত্রে ৩০০ টাকা করা, ইয়েস পার্কিং না দেওয়া পর্যন্ত নো পার্কিং মামলা ও মিটার মামলা না দেওয়া, বর্তমান সিএনজি মালিকদের পক্ষ থেকে চালকদের নিয়োগপত্র দেওয়া, নতুন লাইসেন্স দেওয়া ও পুরাতন লাইসেন্স নবায়ন করতে সহজ শর্তে ও অল্প টাকা দেওয়া, মহাসড়কে সিএনজি চলাচলের অনুমতি দেওয়া, সড়কের খানাখন্দ রিপিয়ারিং করে জেব্রা ক্রসিং, স্পিড ব্রেকার ও রোড ডিভাইডার এবং শাখা সড়কে (এপ্রোচ) এরো চিহ্ন দৃশ্যমান রঙে রঙিন করা এবং দেশের সব সেতুতে টোল ৫০ শতাংশ করা।

বক্তারা বলেন, অটোরিকশা চালকরা কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করেও ছেলে-মেয়েদের শিক্ষার খরচ চালানো, অন্ন, বস্ত্র, মাস শেষে ঘরভাড়া জোগাড়ও  দায় হয়ে পড়ে। পরিবার-পরিজন অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা পর্যন্ত করতে পারেন না তাঁরা। এদিকে সড়কে অটোরিকশার মালিক-প্রশাসন ও চাঁদাবাজ দালালদের অত্যাচার।

বক্তারা আরো বলেন, প্রায় এক হাজার সিএনজি মালিকদের কাছে ঢাকা শহরের প্রায় এক লাখ সিএনজিচালক ও এক কোটি যাত্রী জিম্মি। যাত্রীদের ধারণা সিএনজি চালকরা যাত্রীদের ওপর জুলুম করে। কিন্তু চালকরা যে কতটা অসহায় সে কথা কখনো কেউ জানেই না, শোনেও না। চালকরা নিয়োগপত্র না থাকায় বছরে তিন-চার বার বেকার হন। তাদের নামে বিভিন্ন সংগঠন রয়েছে। এরা মূলত মালিক পক্ষের দালালি করে নিজেদের আখের গোছানো ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না। তাঁরা বলেন,  করোনার আগের মতো অনৈতিকভাবে মাসে ২ বার জমা বাড়িয়েছে মালিকরা। এখন প্রতিদিন ১ হাজার ৬০০ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে যাত্রা শুরু করেন চালকরা।

পরিষদের আহ্বায়ক শেখ হানিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, ফোরকান, এ আর জাহাঙ্গীর প্রমুখ এসময়  উপস্থিত ছিলেন। 



সাতদিনের সেরা