kalerkantho

শুক্রবার । ২২ শ্রাবণ ১৪২৮। ৬ আগস্ট ২০২১। ২৬ জিলহজ ১৪৪২

২১ জুনের উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে আবেদন খারিজ

পাপুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের আদেশ বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জুন, ২০২১ ১৭:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাপুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের আদেশ বহাল

সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কুয়েতের কারাগারে বন্দী লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ। ফলে পাপুলের সদস্যপদ বাতিল আদেশ বহাল থাকলো। এদিকে একই আসনে আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা পৃথক এক আবেদনে সাড়া দেননি আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ বৃহষ্পতিবার সর্বসম্মতভাবে এ আদেশ দেন। পাপুলের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। বিএনপি নেতারপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুবউদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

জাতীয় সংসদের লক্ষ্মীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শহিদ ইসলাম পাপুলের সদস্যপদ বাতিল এবং ওই আসন শূণ্য ঘোষনা করে জাতীয় সংসদ সচিবালয় গত ২২ ফেব্রুয়ারি গেজেট জারি করে। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন ওই আসনে উপনির্বাচনের জন্য ৪ মার্চ তফসিল ঘোষনা করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২১ জুন ওই আসনে ভোটগ্রহণ। পাপুলের সংসদ সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন পাপুলের বোন নুরুন্নাহার বেগম। এই রিট আবেদন গত ৮ জুন সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন পাপুলের বোন নুরুন্নাহার বেগম। গতকাল আপিল বিভাগে এ আবেদনের ওপর শুনানি হয়। আবেদনকারীপক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। আবেদনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। শুনানি শেষে আপিল বিভাগের ৬ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে ওই আবেদন খারিজ করে দেন।

বিএনপি নেতার আবেদন

আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচন স্থগিত চেয়ে একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেতা আবুল খায়ের ভুঁইয়ার দাখিল করা রিট আবেদন গত ১৪ জুন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। এই আদেশেল বিরুদ্ধে আপিল করেন আবুল খায়ের ভুঁইয়া। এ আবেদনের ওপর শুনানি করেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। আবেদনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। শুনানি শেষে আপিল বিভাগের ৬ বিচারপতির বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে ‘নো অর্ডার’ বলে আদেশ দেন।

২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শহিদ ইসলাম পাপুলের দাখিল করা হলফনামায় তথ্য গোপন এবং পরবর্তীতে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে

হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছিলেন আবুল খায়ের। সে মামলা এখনো বিচারাধীন। একারণে উপনির্বাচন স্থগিত চাওয়া হয়।

গতবছর ৬ জুন কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পাপুলকে কুয়েতে গ্রেপ্তার করে। সেই থেকে পাপুল কুয়েতের কারাগারে বন্দী। এ অবস্থায় গত ২৮ জানুয়ারি পাপুলকে ৪ বছরের কারাদন্ড দেয় কুয়েতের আদালত। ওই রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর পাপুলের আসন শূন্য ঘোষনা করা হয়।



সাতদিনের সেরা