kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

অনলাইন ডেস্ক   

১৩ জুন, ২০২১ ০৮:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

স্বামী মামুন মিল্লাতের সঙ্গে নিহত নুসরাত। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সংসদ সচিবালয় কোয়ার্টার থেকে নুসরাত জাহান (২৮) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১২ জুন) বিকেলে বি-২ নম্বর কোয়ার্টারের বাসার দরজা ভেঙে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী মামুন মিল্লাত পলাতক রয়েছেন। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে মিল্লাত ও নুসরাত সংসদ সচিবালয়ের একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে প্রতিবেশীদের ফোন পেয়ে বাসার দরজা ভেঙে নুসরাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুসরাতের স্বামী মামুন মিল্লাত পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই কোয়ার্টার সাবলেটে ভাড়া নিয়েছিলেন। তবে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে মামুন মিল্লাত পুলিশের কেউ নন, তিনি প্রতারক। মামুন মিল্লাতের প্ররোচনায় নুসরাত আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মেয়ে নুসরাত পলাতক মামুন মিল্লাতকে বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হন। তার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলায়। সেখানে তিনি জেলা ছাত্রলীগের নেত্রী ছিলেন। নুসরাত ২০১৯ সালে মামুন মিল্লাত নামে ওই যুবককে বিয়ে করেন। ওই সময় মামুন নিজেকে ৩৮তম বিসিএসের পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়েছিলেন।

প্রতিবেশীরা বলছেন, নুসরাত ও তার স্বামীর মধ্যে প্রায়ই কলহ হতো। শনিবার সকালেও তারা নুসরাত ও তার স্বামীর ঝগড়া শুনেছেন। তারা প্রায় দিনই তা করতেন। গত তিন মাস ধরে ওই দুইজন সাবলেট ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানে আলম মুন্সী বলেন, নিহত নারীর বাড়ি চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলায়। তার স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। উনারা ঢাকায় আসার জন্য রওনা দিয়েছেন। তারা ঢাকায় আসলে নিহত নারীর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

তিনি বলেন, নারীর মরদেহ আমরা বাসাটিতে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় পাই। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও মামলা হয়নি। তবে আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে। নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের চেষ্টা করছে পুলিশ।



সাতদিনের সেরা