kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

বিরল রোগে চোখ হারাতে বসেছে নিপু

অনলাইন ডেস্ক   

১২ জুন, ২০২১ ১৮:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিরল রোগে চোখ হারাতে বসেছে নিপু

বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে চোখ হারাতে বসেছে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের নিপু আক্তার নামে ১১ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়া। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না শিশুর হতদরিদ্র পিতা-মাতা। চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রিয় সন্তানের চোখ। এই দৃশ্য দেখা ছাড়া কিছুই করার নেই তাদের। উপজেলার পৌর সদরের শ্রীহাস্য গ্রামের আব্দুর রশিদের মেয়ে ও দায়েমছাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সে। তিন মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে নিপুই সবার বড়।

ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিলের প্রথম দিকে হঠাৎ করে ডান চোখ লাল হয়ে যায় নিপুর। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছ থেকে ওষুধ খেয়েও কোনো কাজ হচ্ছিল না। পরে তাকে কুমিল্লা আলেখাচর চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিপুর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার করার পরামর্শ দেন। দরিদ্র পরিবার কি করবে! নিপুকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেও প্রায় দেড় মাস চিকিৎসাধীনে থাকে নিপু। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। যত দিন যায়, তার চোখ আরো নষ্ট দিকে যায়। গত দেড় মাসে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নানাবিধ ওষুধ পত্র বাবদ অনেক টাকা খরচ করেন এ গরিব পিতা। পরে তিনি অর্থ সংকটে পড়ে মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন।

শিশুটির অবস্থান দেখে স্থানীয় লোকজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে এলাকাবাসীর আর্থিক সহায়তায় গত বুধবার (৯ জুন) নিপুকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ২০৮ নম্বর সিটে ভর্তি করা হয়। কিন্তু গরিব আব্দুর রশিদ আর্থিক সমস্যার জন্য উন্নত চিকিৎসা করাতে পারছেন না শিশুটির।

এদিকে শিশুটির চোখ দিন দিন নষ্টের দিকে যাচ্ছে। অসহায় আব্দুর রশিদ ও তার স্ত্রী রাবিয়া বেগম দম্পত্তি মেয়ের চোখের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিত্তবানদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। যাতে সন্তানের চোখ বাঁচাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভালো একটা ব্যবস্থা করা যায়। যদি নিপুর জন্য কেউ সহযোগিতা করতে চান তবে ০১৮৩৩-০১৫৮৫৫ (বিকাশ) ও ০১৮৪৩-৯৩১৭৯০ (বিকাশ) উল্লেখিত নম্বর দুটিতে যোগাযোগ করে সাহায্য পাঠানোর অনুরোধ করেছেন শিশুটির বাবা-মা।



সাতদিনের সেরা