kalerkantho

বুধবার । ২০ শ্রাবণ ১৪২৮। ৪ আগস্ট ২০২১। ২৪ জিলহজ ১৪৪২

পাখিদের খাবার নিয়ে নিসর্গের পাশে দাঁড়াল পুরান ঢাকার মাঞ্জা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ জুন, ২০২১ ১৮:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাখিদের খাবার নিয়ে নিসর্গের পাশে দাঁড়াল পুরান ঢাকার মাঞ্জা

বাংলাদেশের আবাসিক পাখির প্রজনন মৌসুম গ্রীষ্মকাল। বেশির ভাগ পাখিই এ সময় ডিম দেয় ও বাচ্চা ফোটায়। শহুরে পাখির সবচেয়ে বড় সমস্যা বাসা ও খাবার। সেই সমস্যা নিরাময়ে নিসর্গের পাখির প্রতি প্রেম দেখে পাশে দাঁড়িয়েছে পুরান ঢাকার মাঞ্জা সংগঠন।

শুরুতে পাখিদের প্রতিদিন এক কেজি খাবার দেওয়া হলেও এখন থেকে ৫ কেজি খাবার দিচ্ছে তারা।

জানা গেছে, পুরান ঢাকার দায়রা জর্জ কোর্ট, ভিক্টোরিয়া পার্ক (বাহাদুর শাহ পার্ক),  সেন্ট থমাস গীর্জা, জগন্নাথ বিশ্ব্যবিদ্যালয়, পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ, বাংলা বাজার সরকারি মহিলা স্কুল, মুসলিম গভর্নমেন্ট স্কুল, কবি নজরুল কলেজ এবং পাটুয়াটুলিতে অবস্থিত ব্রাহ্ম সমাজ জুড়ে থাকা গাছাপালায় পাখি এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার্থে কাজ করছে নিসর্গ। নিসর্গের সদস্যরা প্রতিদিন সকাল বিকেল পাখিদের খাবার দিয়ে যাচ্ছে। গত ৬ মাস আগে এর কার্যক্রম শুরু হয়। তখন থেকেই কাজ করে যাচ্ছে নিসর্গের সদস্যরা। যার ফলে পুরান ঢাকার এলাকায় জালালি, শালিক, চড়ুইপাখির ঝাক এবং সংখ্যায় কম হলেও এখন দোয়েল, টুনটুনি, ঘুঘু, বুলবুলি, ময়না, ধনেশ, কাঠঁ-ঠোকড়া সহ নানা প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে বেশ ভালো একটি পরিবেশ দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। কোকিলের মধুর সুর এখন নিয়মিত এই এলাকায় বিরাজ করছে।

নিসর্গের অন্যতম সদস্য গোপাল বলেন, জীববৈচিত্র্য উন্নয়নের লক্ষ্যে শুরুতে প্রতিদিন এক কেজি খাবার পাখিদের দিতে শুরু করেছিলাম। সব রকম পাখির কথা মাথায় রেখে আমরা মিক্সড খাবার দিতে শুরু করেছি। আজ প্রায় ৬ মাস পর প্রতিদিন ৫ কেজি খাবার দিতে হচ্ছে। আমরা আশা করছি আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন মেগাসিটিগুলোর মত ঢাকাও কবুতরের বিচরণ ক্ষেত্র হবে।

মাঞ্জা সংগঠনের সদস্য আরমান হোসেন বলেন, 'আপাতত এক মাসের খাবার আমরা নিসর্গের হাতে পৌঁছে দিয়েছি। এই কার্যক্রম আমরা চলমান রাখবো। করোনাকালে ঢাকায় পাখিদের সংখ্যা বেড়েছে। বাসা বানানোর জায়গা প্রসারিত হয়েছে। খাবারের চাহিদা বেড়েছে। ঢাকা শহরে এক সময় প্রচুর পাখি দেখা যেতো। এখন কাক ছাড়া কোনো পাখিই খুব একটা দেখা যায় না৷ প্রতিটি শহরে আমরা চাইলেই পাখিদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা করে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারি।'



সাতদিনের সেরা