kalerkantho

শনিবার । ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩১ জুলাই ২০২১। ২০ জিলহজ ১৪৪২

তিন দাবিতে ফের নীলক্ষেত মোড়ে ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক   

৬ জুন, ২০২১ ১৩:৪৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তিন দাবিতে ফের নীলক্ষেত মোড়ে ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবিলম্বে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার রোডম্যাপ ঘোষণা করাসহ ৩ দাবিতে ফের রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (৬ জুন) বেলা ১১টার দিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ৩ দফা দাবিতে এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের তিন দাবির অন্য দুটি দাবি হল, সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম’র পরিকল্পনা নিয়ে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ করতে হবে, প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দিয়ে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ এবং হল খুলে সব পরীক্ষা নিতে হবে।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, গত বৃহস্পতিবার নীলক্ষেতের অবস্থান কর্মসূচি থেকে আমাদের যে ৩ দফা দাবি জানিয়েছিলাম সেগুলো প্রশাসন মেনে নেয়নি। তাই আজকে আমরা এখানে আবারও জড়ো হয়েছি, প্রতিবাদ সমাবেশ করার জন্য।

আন্দোলনরত ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের দাবি ছিল সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রমের পরিকল্পনা নিয়ে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আজ অবধি একাডেমিক ক্যালেন্ডার দিতে পারেনি। আমরা দাবি জানাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমাদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার দেওয়া হোক ও অন্যান্য দাবি মেনে নেওয়া হোক।

অবিলম্বে দাবি মেনে না নিলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলরত শিক্ষার্থীরা। ইডেন কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, হুট করে পরীক্ষা নিলে ফলাফল বিপর্যয়ের শঙ্কা রয়েছে। হল ক্যাম্পাস না খুলে প্রশাসনের এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলে দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়বে। আমরা চাই পরীক্ষা নেওয়ার আগে হল-ক্যাম্পাস খুলে স্বাভাবিক অবস্থা আনা হোক এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার বিষয়ে সার্বিক দিক নির্দেশনা দিয়ে তারপর পরীক্ষা নেওয়া হোক। এসব দাবির স্মারকলিপি আজ ভিসি স্যারের কাছে আমরা জমা দেবো।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, গত বছরের মার্চের ১৭ তারিখ কোনও পরিকল্পনা ছাড়াই কলেজ ক্যাম্পাসগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। বন্ধের ১৪ মাস অতিক্রান্ত হলেও শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা কলেজ প্রশাসন থেকে কোনও রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়নি। বরং কোনও পরিকল্পনা ছাড়া একের পর এক তারিখ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রকার দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। অনলাইন ক্লাস চালু রাখা হয়েছে যেখানে আর্থিক সংকট, ডিভাইস সংকট ও নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে প্রায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারেনি। এমতাবস্থায় ক্যাম্পাসগুলো বন্ধ রেখে অনলাইনে কার্যক্রম চালানোর ঘোষণার ফলে অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে ঝরে পড়েছে। অথচ যেখানে অফিস-আদালত, মার্কেট, গার্মেন্টস সব খোলা রাখা হয়েছে সেখানে করোনার অজুহাতে কলেজ বন্ধ রাখা অযৌক্তিক।



সাতদিনের সেরা