kalerkantho

শুক্রবার । ১১ আষাঢ় ১৪২৮। ২৫ জুন ২০২১। ১৩ জিলকদ ১৪৪২

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার স্পষ্ট পরিকল্পনা দাবি শিক্ষার্থীদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৩১ মে, ২০২১ ০৩:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার স্পষ্ট পরিকল্পনা দাবি শিক্ষার্থীদের

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক হল খুলে দেওয়ার দাবিতে গতকাল সমাবেশ করেন ছাত্র ও শিক্ষকরা।

সেশনজট নিরসন, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার স্পষ্ট পরিকল্পনা দাবি করেছেন রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। গতকাল রবিবার ‘হল-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দাও’ ব্যানার নিয়ে ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী এই বিক্ষোভে অংশ নেন। ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহসভাপতি আসিফ মাহমুদের তত্ত্বাবধানে এই কর্মসূচি হয়। মিছিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।

সমাবেশ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রশাসনের সুস্পষ্ট পরিকল্পনার দাবিতে আগামী মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রাজু ভাস্কর্যে ‘প্রতীকী খাটিয়া মিছিল’-এর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আবু মূসা মো. আরিফ বিল্লাহ এতে উপস্থিত ছিলেন। আসিফ নজরুল বলেন, ‘সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ছেলে-মেয়েরা দেশের বাইরে লেখাপড়া করছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে তাদের কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। ক্ষতি হচ্ছে নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের। সরকারের কাছে শিক্ষা নয়, শাসনই জাতির মেরুদণ্ড। শাসননীতি পরিচালনার জন্য যা প্রয়োজন, সব কিছু খুলে দিয়েছে সরকার। শুধু ভয় পাচ্ছে শিক্ষা আর রাজনীতিকে।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় সেশনজট বাড়ছে। শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া সম্ভব।’

অন্যদিকে আগামী জুন মাসের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া না হলে রাজপথ অচল করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। গতকাল রবিবার সকালে রাজধানীর নীলক্ষেতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এ দাবি জানিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। সমাবেশ শেষে তাঁরাও মিছিল বের করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সরকারের কর্মপরিকল্পনা শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরতে হবে। টিকা দিয়ে ক্যাম্পাস খুলে দিলে কিভাবে ও কবে তা দেওয়া হবে সেটি জানাতে হবে। না হলে সব কিছু  যেভাবে স্বাভাবিক চলছে সেভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও খুলে দিতে হবে।

এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শপিং মল-গার্মেন্ট-দোকানপাট সব খোলা। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আচরণে মনে হচ্ছে করোনার উত্পত্তিস্থল এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আমরা অনলাইনে নয়, সরাসরি পরীক্ষা দিতে চাই। অনলাইনে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেওয়ার সক্ষমতা নেই।’



সাতদিনের সেরা