kalerkantho

শনিবার । ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১২ জুন ২০২১। ৩০ শাওয়াল ১৪৪২

চীন থেকে প্রতি ডোজ টিকা ১০ ডলারে কিনছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ মে, ২০২১ ০২:২৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চীন থেকে প্রতি ডোজ টিকা ১০ ডলারে কিনছে সরকার

চীন থেকে দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনছে সরকার। প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১০ মার্কিন ডলার বা ৮৫০ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে সরকার প্রতি ডোজ টিকা কিনেছিল পাঁচ ডলারে। সে হিসাবে চীনের প্রতি ডোজ টিকার মূল্য পড়ছে ভারতের চেয়ে দ্বিগুণ।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম থেকে সার্স কোভ-২ ভ্যাকসিন কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জনস্বাস্থ্য সংরক্ষণ ও করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

তিনি জানান, প্রতি ডোজের দাম পড়বে ১০ ডলার। দেড় কোটি ডোজ টিকার মোট দাম পড়বে ১৫ কোটি ডলার। বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় এক হাজার ২৬৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

রপ্তানি বন্ধের আগে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা এনেছিল সরকার। সব খরচ মিলিয়ে ওই টিকার দাম পড়েছে পাঁচ ডলার। এই হিসাবে চীন থেকে টিকা কিনতে বাংলাদেশকে এখন প্রতি ডোজে দ্বিগুণ টাকা গুনতে হচ্ছে।

অতিরিক্ত সচিব শাহিদা আরো বলেন, সিনোফার্ম প্রতি মাসে ৫০ লাখ করে আগামী জুন, জুলাই ও অগস্ট মাসে বাংলাদেশকে এক কোটি ৫০ লাখ ডোজ টিকা সরবরাহ করবে। এই কেনাকাটায় দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠান যুক্ত নয়। সরাসরি চীন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের এই চুক্তি হয়েছে।

এদিকে বৈঠকে দুই হাজার ৯৮৮ কোটি ৪৯ লাখ ৯৬ হাজার ৩৯৩ টাকা ব্যয়ে মোট ছয়টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত সচিব জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য ৬৫৮ কোটি ৪০ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয়ে কমিউনিকেশন, নেভিগেশন অ্যান্ড সার্ভেইলেন্স-এয়ার ট্রাফিক সিস্টেম (সিএনএস-এটিএম) কেনার একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্সের তালিস এলিনিয়ার থেকে জিটুজি ভিত্তিতে এসব সরঞ্জাম কিনবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।

বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহে বিশেষ আইনের আওতায় ভোলায় দুটি অনুসন্ধান কূপ এবং একটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন করতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় কম্পানি গ্যাজপ্রমের সঙ্গে বাপেক্সের চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এ জন্য টার্ন-কি পদ্ধতিতে গ্যাজপ্রম ৬৪৮ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার ৮৫০ টাকায় তিনটি কূপ খনন করে দেবে।

ড. শাহিদা আক্তার বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে পণ্য পরিবহনের উৎসমুখে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের পিএস ওয়ান প্যাকেজের আওতায় পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাজ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়ার এসএমইসিআই ইন্টারন্যাশনাল ও সুইডিশ ন্যাশনাল রোড কনসাল্টিং, বাংলাদেশের এসিই কনসাল্টস ও বিসিএল অ্যাসোসিয়েটসের জয়েন্ট ভেঞ্চার। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬ কোটি ৯২ লাখ তিন হাজার ৫৯৩ টাকা।



সাতদিনের সেরা